
শিবমহাপুরাণ মতে, মহাশিবরাত্রিতেই তাণ্ডব নৃত্য করে রূদ্র রূপ ধারণ করেছিলেন মহাদেব। শুধু তাই নয়, কথিত আছে, এই বিশেষ রাত্রেই শিব ও পার্বতীর বিয়ে হয়েছিল। সাধারণত, শিব শক্তি তথা পুরুষ ও আদিশক্তি বা পরা প্রকৃতির মিলন হয়েছিল এই সময়।

এই মহাশিবরাত্রিতে শিবলিঙ্গ রূপে প্রকাশিত হয়ে জীবের পাপনাশ ও মুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন মহেশ্বর। এদিনে, ভক্তরা একটি দিনব্যাপী উপবাস পালন করে, ভক্তিভরে শিব মন্দিরগুলিতে পুজো করেন। ভক্তরা পাঁচরকম ফল, দুধ, ধুতুরা ফুল, আকন্দ ফুল নিবেদন করেন। তাতে মোক্ষলাভ হয় বলে কথিত আছে।

মহাশিবরাত্রিকে শিবের সর্বশ্রেষ্ঠ রাত্রি’ নামেও পরিচিত। আগামী ৮ মার্চ সারা ভারত জুড়ে উদযাপিত হবে৷ শিবেরভক্তদের জন্য সবচেয়ে শুভ উত্সবগুলির মধ্যে এটি অন্যতম৷ অনেকে মহাদেবের আশীর্বাদ পেতে মধ্যরাতেও পূজা পালন করেন। ভক্তরাও মহাদেবের কাছে প্রার্থনা করেন এবং তাঁর আশীর্বাদ চান।

হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে, শিবরাত্রি উৎসব বছরে ১২বার পালিত হয়। তার মধ্যে ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথি মহাশিবরাত্রি নামে পরিচিত। মহাশিবরাত্রির দিন মহাদেব ও পার্বতীর বিয়ে হয়েছিল।

সমস্ত ইচ্ছা পূরণ হতে ও জীবনে আসা ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে মহাশিবরাত্রির দিনে কালো মরিচ এবং কালো তিলের কিছু প্রতিকার আপনার জন্য উপকারী হতে পারে।

শিব পুরাণ অনুসারে, যদি আপনার মনের কোনও ইচ্ছা অপূর্ণ থাকে বা যে কোনও মূল্যে তা পূরণ করতে চান, তাহলে মহাশিবরাত্রির দিন আপনার ডান হাতে কালো গোলমরিচ, ৭ টি কালো তিল নিয়ে শিবের ধ্যান করুন। তাতে ইচ্ছে পূরণ হবে দ্রুত।

এই কালো মরিচ এবং কালো তিল শিবলিঙ্গে নিবেদন করুন। এই প্রতিকারের মাধ্যমে আগামী মাসিক শিবরাত্রি পর্যন্ত আপনার ইচ্ছা পূরণ হতে পারে।

বাড়িতে সবসময় অশান্তি বা শাশুড়ি-বৌমার মধ্যে কলহ থাকে, তাহলে সাতটি গম নিয়ে সারা ঘরে ছিটিয়ে দিন। মহাশিবরাত্রির দিনে শিবকে কাঠকরবীর মালা। দেখবেন বাড়ির সব অশান্তি কেটে যেতে পারে নিমেষের মধ্যে।