
ধূসর বা গ্রে (Grey): এটি সবথেকে জনপ্রিয় এবং বহুমুখী লেন্স। রঙের কোনো বিকৃতি না ঘটিয়েই এটি আলোর তীব্রতা কমাতে সাহায্য করে। গাড়ি চালানো বা সাধারণ হাঁটাচলার জন্য ধূসর রঙের লেন্স আদর্শ।

বাদামী বা ব্রাউন (Brown): বাদামী লেন্স নীল আলোকে প্রতিহত করে এবং বৈসাদৃশ্য (Contrast) বাড়াতে সাহায্য করে। গল্ফ খেলা বা মাছ ধরার মতো রোদেলা আউটডোর অ্যাক্টিভিটির জন্য এই রঙের চশমা সেরা।

সবুজ বা গ্রিন (Green): সবুজ লেন্স চোখের ওপর চাপ কমায় এবং ছায়ার মধ্যে থাকা জিনিসকে স্পষ্ট দেখতে সাহায্য করে। রোদ আর ছায়ার লুকোচুরি আছে এমন জায়গায় এই লেন্স চোখের আরাম দেয়।

হলুদ বা ইয়েলো (Yellow): কম আলোতে কাজ করার জন্য হলুদ বা কমলা লেন্স অতুলনীয়। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় বা ভোরের দিকে এই লেন্স চারপাশকে অনেক বেশি উজ্জ্বল আর স্বচ্ছ দেখায়।

লাল বা গোলাপি (Red/Pink): এই রঙের লেন্স দীর্ঘক্ষণ পরে থাকলেও চোখে ক্লান্তি আসে না। বরফের খেলা (Skiing) বা কম্পিউটারে দীর্ঘক্ষণ কাজ করার সময় চোখের আরামের জন্য লালচে শেড উপযোগী।

নীল বা বেগুনি (Blue/Purple): ফ্যাশন আর স্টাইলের দিক থেকে নীল লেন্স অনন্য। এটি কুয়াশা বা সাদা ধোঁয়াটে পরিবেশে চারপাশের বস্তুর সীমারেখা স্পষ্ট করে তোলে। সমুদ্র সৈকতে এই রঙের সানগ্লাস খুব মানানসই।

মিররড লেন্স (Mirrored): এর ওপরের অংশটি আয়নার মতো প্রতিফলন সৃষ্টি করে। যারা দীর্ঘক্ষণ প্রচণ্ড রোদে বা পাহাড়ে ট্রেকিং করতে যান, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত কারণ এটি সরাসরি আসা কড়া আলোকে ফিরিয়ে দেয়।

পোলারাইজড লেন্স (Polarized): নির্দিষ্ট রঙের পাশাপাশি ‘পোলারাইজড’ লেন্স জল বা রাস্তার ওপর থেকে আসা চকচকে প্রতিফলন (Glare) আটকায়। এটি চোখকে ঝলসানো আলোর হাত থেকে শতভাগ সুরক্ষা দেয়।