LPG cylinder: ভারী সিলিন্ডার তুলতেই হবে না! এক মগ গরম জলেই বুঝে নিন কতটা গ্যাস বাকি

LPG cylinder gas check trick: রান্নার মাঝপথে হঠাৎ গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়া খুবই সমস্যার বিষয়। ভারী সিলিন্ডার না তুলেই এক মগ সামান্য গরম জলের সহজ কৌশলে এবার নিমেষেই বুঝে নিন সিলিন্ডারে ঠিক কতটা LPG গ্যাস বাকি রয়েছে।

Sep 01, 2026 | 11:57 AM

1 / 8
রান্না করতে গিয়ে মাঝপথে হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়া যে কোনও বাড়ির জন্যই এক চরম ভোগান্তির বিষয়। এই ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সিলিন্ডারে আর কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে তা আগে থেকেই জানা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু ভারী সিলিন্ডার হাতে তুলে বা ঝাঁকিয়ে তার সঠিক ওজন আন্দাজ করা বেশিরভাগ মানুষের পক্ষেই বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।

রান্না করতে গিয়ে মাঝপথে হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়া যে কোনও বাড়ির জন্যই এক চরম ভোগান্তির বিষয়। এই ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সিলিন্ডারে আর কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে তা আগে থেকেই জানা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু ভারী সিলিন্ডার হাতে তুলে বা ঝাঁকিয়ে তার সঠিক ওজন আন্দাজ করা বেশিরভাগ মানুষের পক্ষেই বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।

2 / 8

সিলিন্ডার তোলার এই ঝক্কি এড়াতে প্রয়োজন সামান্য কিছু কৌশল এবং ঘরে থাকা এক মগ সাধারণ গরম জল। খেয়াল রাখতে হবে জল যেন খুব বেশি ফুটন্ত না হয়, মাঝারি উষ্ণতার গরম জলই এই কাজের জন্য একদম আদর্শ। একটি জগ বা মগে গরম জল নিয়ে সিলিন্ডারের এক পাশ বরাবর উপর থেকে নীচ পর্যন্ত ধীরে ধীরে ঢেলে দিন।

3 / 8

সিলিন্ডারের গায়ে গরম জল ঢালা হয়ে গেলে মাত্র ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড সময় অপেক্ষা করতে হবে। এরপর যে দিক দিয়ে জল ঢালা হয়েছে, সেই অংশটিতে উপর থেকে নীচের দিকে হাত বুলিয়ে অনুভব করুন। সিলিন্ডারের ঠিক যে অংশে হাত দিলে তাপমাত্রা বদলে গরম থেকে ঠান্ডা লাগবে, বুঝে নেবেন ঠিক সেই স্তর পর্যন্তই তরল গ্যাস মজুত রয়েছে।

4 / 8

সিলিন্ডারের ভেতরে থাকা লিকুইফায়েড পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি মূলত উচ্চ চাপে তরল অবস্থায় সংরক্ষিত থাকে। এই তরল অংশটি সিলিন্ডারের দেওয়াল থেকে দ্রুত তাপ শোষণ করে নেয় বলে সেই জায়গাটি স্বাভাবিকভাবেই ঠান্ডা হয়ে যায়। অন্যদিকে যে অংশে গ্যাস থাকে না বা খালি হয়ে গিয়েছে, সেই খালি অংশটি গরম জলের তাপ ধরে রেখে বেশ কিছুক্ষণ উষ্ণ থাকে।

5 / 8

সিলিন্ডারের উপর থেকে নীচ পর্যন্ত হাত বুলিয়ে যদি কোনও তাপমাত্রার ফারাক না পাওয়া যায় এবং পুরোটাই সমান গরম লাগে, তবে সতর্ক হতে হবে। এর স্পষ্ট অর্থ হল সিলিন্ডারের মজুত গ্যাস প্রায় তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে বা সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গিয়েছে। এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করলে কালবিলম্ব না করে দ্রুত নতুন সিলিন্ডারের বুকিং সেরে নেওয়া দরকার।

6 / 8

অনেক সময় গরম জল ঢালার পর সিলিন্ডারের বাইরের অংশে আর্দ্রতা জমে ঘনীভূত জলের একটি স্পষ্ট রেখা বা দাগ ফুটে ওঠে। এই ঘনীভবন রেখাটিও সিলিন্ডারের ভেতরে তরল গ্যাসের সঠিক উচ্চতা নিখুঁতভাবে নির্দেশ করে দেয়। তবে সিলিন্ডারের গায়ে এমন দাগ স্পষ্টভাবে দেখা না গেলেও কেবল হাতের স্পর্শেই তাপমাত্রার পার্থক্য খুব সহজেই টের পাওয়া সম্ভব।

7 / 8

এই সহজ ঘরোয়া কৌশলটি আরও বেশি কার্যকর ও স্পষ্ট ফলাফল দেয় যদি রান্না শেষ করার ঠিক পরপরই পরীক্ষাটি করা হয়। রান্নার সময় ওভেন চালু থাকায় ভেতরের তরল এলপিজি গ্যাস দ্রুত গ্যাসে রূপান্তরিত হতে থাকে এবং সিলিন্ডারের দেওয়াল থেকে তাপ টানে। ফলে ওই সময়ে সিলিন্ডারের ঠান্ডা ও গরম অংশের সীমারেখাটি অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে হাতে ধরা পড়ে।

8 / 8

কোনওরকম দামি গ্যাজেট বা ভারী সিলিন্ডার মাটি থেকে তোলার ঝুঁকি ছাড়াই এই সাধারণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি যে কোনও গৃহস্থালিতে কাজে লাগানো যায়। এতে যেমন কোমরে বা হাতে চোট পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা থাকে না, তেমনই গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়। প্রতিদিনের রান্নার ঝামেলা এড়াতে এই সহজ ও নিরাপদ কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর একটি সমাধান।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us