
হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষা: লিকার চায়ে থাকা থিয়াফ্লাভিন এবং থিয়ারুবিন নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: লিকার চায়ে কোনো ক্যালরি থাকে না (যদি চিনি না মেশানো হয়)। এটি মেটাবলিজম বা বিপাক হার বাড়িয়ে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে, যা দ্রুত ওজন কমাতে কার্যকর।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: এই চায়ে প্রচুর পরিমাণে অ্যালকাইলামাইন নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তোলে।

ক্যান্সার প্রতিরোধে: লিকার চায়ে থাকা পলিফেনল শরীরের কোষের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া আটকায়। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত লিকার চা পানে ফুসফুস, প্রোস্টেট ও কলোরেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস পায়।

হজমশক্তির উন্নতি: ভারী খাবার খাওয়ার পর লিকার চা পান করলে হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। এটি অন্ত্রের প্রদাহ কমাতে এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

মানসিক প্রশান্তি ও মনোযোগ: লিকার চায়ে থাকে 'এল-থিয়ানিন' নামক অ্যামিনো অ্যাসিড, যা মস্তিষ্ককে শিথিল করতে এবং মনঃসংযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। এটি স্ট্রেস বা মানসিক চাপ কমাতেও দারুণ কার্যকর।

দাঁত ও হাড়ের যত্ন: লিকার চায়ে থাকা ফ্লুরাইড দাঁতের ক্যাভিটি আটকায় এবং এনামেলকে শক্তিশালী করে। এছাড়া নিয়মিত এই চা পানে হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়, যা অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমায়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: লিকার চা রক্তে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত আশীর্বাদস্বরূপ।