
রেশমের মতো সুন্দর, মসৃণ চুল পেতে কে না চান। তবে সব ইচ্ছে কি আর পূরণ হয়! অনেকেই চুলের নানা সমস্যায় ভোগেন। (ছবি:Pinterest)

তার মধ্যে অন্যতম হল চুলের ডগা ফাটার সমস্যা। আর ডগা ফাটলে অনেকেই চুল কেটে ফেলেন। এটা কোনও স্থায়ী সমাধান নয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কী করা উচিত জানুন। (ছবি:Pinterest)

মূলত আর্দ্রতার অভাবে চুলের ডগা ফাটে। চুল ও স্ক্যাল্প অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে গেলে এই সমস্যা দেখা যায়। এর জন্য স্ক্যাল্পের আর্দ্রতা বজায় রাখা জরুরি। (ছবি:Pinterest)

অনেকেই ঘন-ঘন ব্লো ড্রায়ার ব্যবহার করেন। এতে চুলের ক্ষতি হয় ও আর্দ্রতা নষ্ট হয়। তাই চুলে বেশি তাপ দেওয়া যাবে না। এতে চুলের ডগা ফাটতে পারে। (ছবি:Pinterest)

চুলে অতিরিক্ত কালার করাবেন না। আজকাল অনেকেই হেয়ার কালার করতে পছন্দ করেন। এতে চুলের ক্ষতি হয়। কালারে ক্ষতিকারক রাসায়নিক থাকে, যা ডগা ফাটার অন্যতম কারণ। (ছবি:Pinterest)

অতিরিক্ত চুল আঁচড়ালেও এই সমস্যা হতে পারে। চুল ঘন-ঘন ব্রাশ করলে ঘর্ষণজনিত কারণে চুলের ডগা ফেটে যেতে পারে। তাই এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। (ছবি:Pinterest)

এ ছাড়া জিনগত কারণেও চুলের ডগা ফাটে। অনেকেরই জন্মগতভাবে চুল শুষ্ক হয়। তাই বিনা কারণেই চুল পাতলা হয়ে যায় ও ডগা ফাটার সমস্যা দেখা দেয়। (ছবি:Pinterest)

এই সমস্যা রুখতে রাসায়নিকযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। আর শ্যাম্পু করার পর চুল ভালো করে মুছুন। আর অবশ্যই ঠান্ডা জল দিয়ে চুল ধোবেন। (ছবি:Pinterest)