
রান্না করতে তেল লাগে। তেল ছাড়া রান্না হয় না। একই সঙ্গে তেল শরীরের জন্যেও প্রয়োজন আছে। যদি শুধুই তেল ছাড়া খাবার খেতে থাকেন তাহলে আমাদের স্টমাক সেই ভাবেই অভ্যস্ত হয়ে পড়ে

একটু ভাজাভুজি কিছু খেলে হজম হয় না। এমনকী পেট খারাপ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই সব রকমই খেতে হবে। হালকা তেলে ভাজা, কম তেলে রান্না এসব যেমন প্রয়োজন তেমনই মাসে একদিন তেলের খাবারও খেতে পারেন

তবে খেয়াল রাখতে হবে অতিরিক্ত তেল মশলাদার খাবার যেন অভ্যাস না হয়ে পড়ে। যেদিন বেশি ক্যালোরির খাবার খাবেন সেইদিন অন্য সব মিল বাদ রাখুন। এতে সমস্যা আরও অনেক বেশি জটিল হবে

চিকিৎসকেরাও সব সময় বলেন তেল কম খেতে। অনেকের ধারণা তেল কম দিলে রান্নায় স্বাদ ভাল হয় না তাহলে তা একেবারেই ভুল। কম তেলেও দারুণ সুস্বাদু রান্না হয়। তেলের যেমন দাম আছে তেমনই তা শরীরের জন্যেও কিন্তু ভাল নয়

তাই তেল এভাবে ব্যবহার করে দেখুন। এতে তেলের খরচা যেমন কমবে তেমন রান্নাও ভাল হবে। স্বাদেও কোনও রকম ফারাক থাকবে না। রোজকার রান্নার তেল যে পাত্রে রাখেন তাতে এই উপকরণ মেশালেই ফারাক দেখতে পাবেন

সয়াবিনের তেলের যদি ৫০০ র প্যাকেট হয় তাহলে যে পাত্রে এটি ঢেলে রাখেন তাতে ছোট এক চামচ নুন মিশিয়ে নিন। যাতে একদম মিশে যায়। এবার যেখানে ২ চামচ নুন দরকার সেখানে দেড় চামচ নুন দিন। ফারাক নিজের চোখেই দেখতে পারেন

তেলে নুন মিশিয়ে ব্যবহার করলে আগে খাবার সেদ্ধ করার কোন দরকার নেই। স্বাদও ফারাক হবে না। শুধু রান্নায় নুন দেওয়ার সময় বুঝে দেবেন। যেহেতু তেলে আগে থেকেই নুন দেওয়া রয়েছে

একই ভাবে সরষের তেলেও নুন মেশান। দেখবেন এক লিটার তেলে ১৫-২০ দিন পর্যন্ত রকমারি রান্না করে নিতে পারছেন। আর স্বাদেও কোনও ফারাক থাকছে না। দিতে বারেন বাড়ির বয়স্কদের আর ছোটদেরও