
১ - রাত জেগে ছোট ছোট ভিডিও বা রিল দেখলে বেশ কিছু ক্ষতি হয়। রিল স্ক্রোল করলে মস্তিষ্ক থেকে ডোপামিন ক্ষরণ হয়। প্রতিবার নতুন রিল দেখার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্ক তাৎক্ষণিক আনন্দ পায়। এই উত্তেজনার কারণেই শরীরে ঘুম আসার সংকেত আসে না ও ক্লান্ত চোখ নিয়েও মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা জেগে থাকে। (Credit - Getty Images)
ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত আধ ঘন্টা আগে সব ধরণের ডিজিটাল স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে নিন। ফোনটি বিছানাতে না রেখে অন্য প্রান্তে বা টেবিলে রাখুন। হাতের নাগালে ফোন না থাকলে অটোমেটিক ফোনে হাত যাবে না। (Credit - Getty Images)
মোবাইল স্ক্রিন থেকে বেরোনো নীল আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন উৎপাদনে বড় বাধা তৈরি করে। একান্ত যদি ফোন দেখতেই হয়, তাহলে অবশ্যই নাইট লাইট অন রাখুন। তবে সবথেকে ভাল আইডিয়া হল ফোন না দেখা। (Credit - Getty Images)
ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকের মতো অ্য়াপে টাইমার সেট করে নিন। পাশাপাশি রাত ১০টার পর অপ্রয়োজনীয় সব নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন। কোনও আওয়াজ বা আলো না জ্বলে ফোন তুলে স্ক্রোল করার ইচ্ছে চলে যায়। (Credit - Getty Images)
বিছানায় শুয়ে চোখ বন্ধ করে ধীরে ধীরে ৪ সেকেন্ড নিশ্বাস নিন। সেটা বুকের ভেতর ৭ সেকেন্ড ধরে রাখুন। এর পর ৮ সেকেন্ড ধরে সেই শ্বাসটি ছেড়ে দিন। এই ব্যায়াম বার কয়েক করলে স্নায়ু দ্রুত শান্ত হয় ও ঘুম পায়। (Credit - Getty Images)
রিলস থেকে বাঁচতে বিছানায় শুয়ে কোনও বই পড়তে পারেন। মাত্র কয়েক পৃষ্ঠা পড়লেই চোখ ক্লান্ত হয়ে যায় ও ঘুম পায়। এর সঙ্গে কোনও সুদিং মিউজিক শুনতে পারেন। (Credit - Getty Images)
বিছানাকে শুধু ঘুমোনোর জায়গা হিসেবে রাখুন। এতে অফিসের কাজ করা, খাওয়া বা সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রোল করা বন্ধ করুন। (Credit - Getty Images)
গভীর ঘুমের জন্য ঘরের পরিবেশ অন্ধকার ও ঠান্ডা রাখা জরুরি। কড়া আলো নিভিয়ে খুব মৃদু নাইট ল্যাম্প ব্যবহার করেন। সামান্য ঠান্ডা তাপমাত্রায় শরীরের তাপমাত্রা কমে যায়। (Credit - Getty Images)