Curd in Monsoon: বর্ষায় টকদই খেলে কি ঠান্ডা লাগে?

Does curd cause cold in monsoon: বর্ষাকালে দুপুরের খাবারের শেষে এক বাটি দই বা এক গ্লাস ঘোল খাওয়ার রেওয়াজ বহু পরিবারেই রয়েছে। বর্ষায় দই খাওয়া নিয়ে প্রচলিত ধারণা কি আদৌ সত্যি? কী বলছেন চিকিৎসকরা?

Aug 04, 2026 | 4:09 PM

1 / 8
বর্ষাকালে দুপুরের খাবারের শেষে এক বাটি দই বা এক গ্লাস ঘোল খাওয়ার রেওয়াজ বহু পরিবারেই রয়েছে। পরিপাকতন্ত্রের চিকিৎসকদের মতে এই প্রাচীন অভ্যাসটি স্রেফ কোনও ঐতিহ্য নয়, বরং এটি আমাদের অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। তাজা দইয়ে থাকা প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পুরো শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। Getty images

বর্ষাকালে দুপুরের খাবারের শেষে এক বাটি দই বা এক গ্লাস ঘোল খাওয়ার রেওয়াজ বহু পরিবারেই রয়েছে। পরিপাকতন্ত্রের চিকিৎসকদের মতে এই প্রাচীন অভ্যাসটি স্রেফ কোনও ঐতিহ্য নয়, বরং এটি আমাদের অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। তাজা দইয়ে থাকা প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পুরো শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। Getty images

2 / 8
দই এবং ঘোল হল প্রোবায়োটিকের প্রাকৃতিক উৎস, যা অন্ত্রের অণুজীবের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। একটি সুষম ও সুস্থ অন্ত্র পরিপাক প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব থেকে শরীরকে রক্ষা করে। ফলে নিয়মিত দই খেলে হজম সংক্রান্ত জটিলতা অনেকটাই কমে যায়। Getty images

দই এবং ঘোল হল প্রোবায়োটিকের প্রাকৃতিক উৎস, যা অন্ত্রের অণুজীবের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। একটি সুষম ও সুস্থ অন্ত্র পরিপাক প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব থেকে শরীরকে রক্ষা করে। ফলে নিয়মিত দই খেলে হজম সংক্রান্ত জটিলতা অনেকটাই কমে যায়। Getty images

3 / 8
সুস্থ অন্ত্র কেবল খাবার হজম করতেই সাহায্য করে না, বরং খাদ্য থেকে পুষ্টি উপাদান শোষণেও শরীরকে সহাযোগিতা করে। দুপুরের খাবারে নিয়মিত দই বা ঘোল অন্তর্ভুক্ত করলে পেট ফাঁপা, গ্যাস, অম্বল এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সাধারণ সমস্যাগুলো থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়। এটি পরিপাকতন্ত্রকে শান্ত ও সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। Getty images

সুস্থ অন্ত্র কেবল খাবার হজম করতেই সাহায্য করে না, বরং খাদ্য থেকে পুষ্টি উপাদান শোষণেও শরীরকে সহাযোগিতা করে। দুপুরের খাবারে নিয়মিত দই বা ঘোল অন্তর্ভুক্ত করলে পেট ফাঁপা, গ্যাস, অম্বল এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সাধারণ সমস্যাগুলো থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়। এটি পরিপাকতন্ত্রকে শান্ত ও সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। Getty images

4 / 8
বিশেষজ্ঞদের মতে আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি বড় অংশ অন্ত্রের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। দইয়ের মতো প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খেলে অন্ত্রের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় থাকে। এর ফলে মরসুমি নানাবিধ সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে। Getty images

বিশেষজ্ঞদের মতে আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি বড় অংশ অন্ত্রের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। দইয়ের মতো প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খেলে অন্ত্রের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় থাকে। এর ফলে মরসুমি নানাবিধ সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে। Getty images

5 / 8
বর্ষাকালে বা গলা ব্যথা হলে অনেকে সর্দি লাগার ভয়ে দই খাওয়া একদম বন্ধ করে দেন। তবে চিকিৎসকদের স্পষ্ট বক্তব্য, তাজা দই খেলে সর্দি-কাশি হয় এই ধারণার পেছনে কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ঠান্ডা লাগার আসল কারণ হলো বায়ুবাহিত ভাইরাস, খাবার হিসেবে দই কোনওভাবেই সর্দির জন্য দায়ী নয়। Getty images

বর্ষাকালে বা গলা ব্যথা হলে অনেকে সর্দি লাগার ভয়ে দই খাওয়া একদম বন্ধ করে দেন। তবে চিকিৎসকদের স্পষ্ট বক্তব্য, তাজা দই খেলে সর্দি-কাশি হয় এই ধারণার পেছনে কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ঠান্ডা লাগার আসল কারণ হলো বায়ুবাহিত ভাইরাস, খাবার হিসেবে দই কোনওভাবেই সর্দির জন্য দায়ী নয়। Getty images

6 / 8
খুব ঠান্ডা বা বাসি দই খেলে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সাময়িক গলায় অস্বস্তি বা জ্বালা ভাব তৈরি হতে পারে। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখা তাজা দই অধিকাংশ সুস্থ মানুষের জন্যই সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং সহজপাচ্য। তাই ফ্রিজ থেকে বের করেই সরাসরি খুব ঠান্ডা দই না খেয়ে কিছুক্ষণ বাইরে রেখে খাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। Getty images

খুব ঠান্ডা বা বাসি দই খেলে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সাময়িক গলায় অস্বস্তি বা জ্বালা ভাব তৈরি হতে পারে। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখা তাজা দই অধিকাংশ সুস্থ মানুষের জন্যই সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং সহজপাচ্য। তাই ফ্রিজ থেকে বের করেই সরাসরি খুব ঠান্ডা দই না খেয়ে কিছুক্ষণ বাইরে রেখে খাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। Getty images

7 / 8
প্রতিদিনের দুপুরের খাবারে এক বাটি দই বা এক গ্লাস পাতলা ঘোল রাখা একটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। সামান্য ধনেপাতা এবং এক চিমটি গোলমরিচের গুঁড়ো দিয়ে ঘোল তৈরি করলে তা যেমন সুস্বাদু হয়, তেমনই হজমের জন্যও বেশ ভালো। এই সহজ অভ্যাসটি বর্ষাতেও আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। Getty images

প্রতিদিনের দুপুরের খাবারে এক বাটি দই বা এক গ্লাস পাতলা ঘোল রাখা একটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। সামান্য ধনেপাতা এবং এক চিমটি গোলমরিচের গুঁড়ো দিয়ে ঘোল তৈরি করলে তা যেমন সুস্বাদু হয়, তেমনই হজমের জন্যও বেশ ভালো। এই সহজ অভ্যাসটি বর্ষাতেও আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। Getty images

8 / 8
তাজা দই এবং ঘোল শরীরকে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং দরকারী ব্যাকটেরিয়া সরবরাহ করে। চিকিৎসকের নিষেধাজ্ঞা বা ডেয়ারি পণ্যে অ্যালার্জি না থাকলে সর্দি লাগার অযৌক্তিক ভয়ে খাদ্যতালিকা থেকে দই বাদ দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। সঠিক নিয়মে তাজা দই খেয়ে বর্ষাতেও নিজের সুস্থতা বজায় রাখুন। Getty images

তাজা দই এবং ঘোল শরীরকে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং দরকারী ব্যাকটেরিয়া সরবরাহ করে। চিকিৎসকের নিষেধাজ্ঞা বা ডেয়ারি পণ্যে অ্যালার্জি না থাকলে সর্দি লাগার অযৌক্তিক ভয়ে খাদ্যতালিকা থেকে দই বাদ দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। সঠিক নিয়মে তাজা দই খেয়ে বর্ষাতেও নিজের সুস্থতা বজায় রাখুন। Getty images

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us