
ভারতের শ্রম মন্ত্রক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, কোনও কর্মচারী ৩০ মিনিটের বিরতি ছাড়া একটানা ৫ ঘন্টার বেশি কাজ করতে পারবেন না। নতুন শ্রম কোড বাস্তবায়নের আলোচনার মাঝেই কর্মী সুরক্ষায় এই পুরোনো নিয়মটি আবার মনে করানো হল। (Credit - Getty Images)

মাটির নিচে কাজ করা খনি শ্রমিকদের সময়সীমা সর্বোচ্চ ৮ ঘন্টা বেঁধে দিয়েছে মন্ত্রক। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও শারীরিক পরিশ্রমের কাজ হওয়ায়, খনি শ্রমিকদের ক্লান্তি দূর করতে ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই নিয়মটি স্পষ্ট করা হয়েছে। (Credit - Getty Images)

পূর্ববর্তী কারখানা ও শ্রম আইনেও শিফ্টের মাঝে বিরতির মাঝে বিরতির ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল। একটানা দীর্ঘক্ষণ কাজ করলে শরীরে চরম ক্লান্তি আসে, যা কর্মক্ষেত্রে বড় দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই এই বিরতি অত্যন্ত জরুরি। (Credit - Getty Images)

আগের শ্রম আইনগুলোর মূল ভিত্তি ছিল যে, নির্দিষ্ট সময় একটানা পরিশ্রমের পর শ্রমিকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিতে হবে। এই নিয়মটি ভারতের সব ধরণের কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, খনিসহ বিভিন্ন উৎপাদনশীল কাজের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য ছিল। (Credit - Getty Images)

সম্প্রতি চালু হওয়া শ্রম কোড বা নিয়মে আগের মতো বিস্তারিত বিরতির কাঠামোগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। এই ওলটপালটের কারণে শ্রমিক সংগঠনগুলোর মধ্যে আশঙ্কা তৈরী হয়েছে যে, ভবিষ্যতে হয়ত বাধ্যতামূলক বিরতির নিয়মগুলো শিথিল হয়ে যেতে পারে। (Credit - Getty Images)

নতুন শ্রম ব্যবস্থা কার্যকর করার সময়েও যেন শ্রমিকদের অধিকার ক্ষুন্ন না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই বিজ্ঞপ্তি। আলাদা করে বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে সরকার আসলে শ্রমিকদের আইনি অধিকারগুলোকেই পুনরায় খতিয়ে দেখছে। (Credit - Getty Images)

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিরতি ছাড়া কাজ করলে ক্লান্তি বাড়লে ও উৎপাদনশীলতা কমে। বিশেষ করে খনি বা নির্মাণকার্যের শ্রমিকদের বিশ্রাম জরুরি। এছাড়া মানসিক চাপ, জলশূন্যতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই বিশ্রামের ব্যবস্থা অপরিহার্য। (Credit - Getty Images)

এই বিজ্ঞপ্তিটি নতুন শ্রম কোডের অধীনে কর্মী সুরক্ষা নিয়ে মালিক ও শ্রমিক - দুই পক্ষের মধ্যে বিতর্কের জন্ম দেবে। তবে, আপাতত সব সংস্থাকেই বাধ্যতামূলক বিশ্রাম ও শিফ্টের এই নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে। (Credit - Getty Images)