
দেশে পেট্রল বা ডিজেলের কোনও ঘাটতি নেই বলে স্পষ্ট জানাল ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন। জ্বালানির চাহিদা হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে কিছু পাম্পে সাময়িক সমস্যা হয়েছিল, যা সম্পূর্ণ স্থানীয় পাম্পগুলিতেই হচ্ছে। বাকি যোগান একদম স্বাভাবিক রয়েছে বলেই জানিয়েছে আইওসি। (Credit - Getty Images)

কিছু আউটলেটে তেল ফুরিয়ে যাওয়ার মূল কারণ স্থানীয় চাহিদা অনুসারে তেলের জোগান নেই। ইন্ডিয়ান অয়েল জানিয়েছে, বিক্রির গতিতে হঠাৎ বদল আসায় এই পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। তবে দেশব্যাপী তাদের জ্বালানি মজুত রয়েছে। (Credit - Getty Images)

চলতি মে মাসে ১ থেকে ২২ তারিখ অবধি দেশে পেট্রোলের বিক্রি গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ডিজেলের বিক্রি বেড়েছে প্রায় ১৮%। এই পরিসংখ্যানই প্রমান করছে জ্বালানির চাহিদা বর্তমানে কতটা তুঙ্গে। (Credit - Getty Images)

একটি বিবৃতিতে আইওসি জানিয়েছে,"গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। দেশের বড় অংশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক। নির্দিষ্ট কিছু পাম্পের সমস্যা সাময়িক হলেও তা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। (Credit - Getty Images)

ইন্ডিয়ান অয়েলের দেশজুড়ে ৪২ হাজারেরও বেশি পেট্রল পাম্প রয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এর মধ্যে খুব সামান্য কিছু পাম্পে জোগানের সমস্যা হয়েছিল। বাকি বেশিরভাগ আউটলেট পর্যাপ্ত স্টক নিয়ে প্রতিদিনের মতো স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে। (Credit - Getty Images)

চাষের মরশুম চলায় দেশে ডিজেলের চাহিদা হুট্ করে বেড়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি পাম্পে তেলের দাম বেশি হওয়ায়, গ্রাহকরা সাময়িকভাবে সরকারি পাম্পগুলোর দিকে ঝুঁকছেন। এই কারণেই কিছু নির্দিষ্ট সরকারি পাম্পে ভিড় বাড়ছে। (Credit - Getty Images)

আন্তর্জাতিক বাজারের নিয়মে বর্তমানে বালক বা পাইকারি তেলের দাম অনেক বেশি। ফলে বড় বাণিজ্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতারাও এখন সরকারি রিটেল পাম্প থেকে তেল নিচ্ছেন। এই কারণটি খুচরো বাজারে তেলের চাহিদা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। (Credit - Getty Images)

অন্যান্য তেল বিপণন সংস্থাগুলোর সাথে মাইল আইওসি নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রেখেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। তাই গ্রাহকদের অযথা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল না কেনার অনুরোধ করেছে আইওসি। (Credit - Getty Images)