
২০২৬ সালের মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়া তাদের আন্তর্জাতিক রুটে ১ হাজার টনেরও বেশি আম বিদেশে পাঠিয়েছে। এই তিন মাসে এয়ার ইন্ডিয়া মোট ৩০০০ টন টাটাকে ফল ও সবজি আমদানি ও রপ্তানি করেছে, যার এক তৃতীয়াংশই ছিল ভারতের আম। (Credit - Getty Images)

য়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বিদেশে ভারতীয় আলফানসো ও কেসর আমের বিপুল চাহিদা রয়েছে। মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে উৎপাদিত এই জনপ্রিয় আমগুলো ইউরোপ, উত্তর আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা আমপ্রেমীদের কাছে সফলভাবে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। (Credit - Getty Images)

আম কাটার মরশুমের শুরু ও সেরা সময় মিলিয়ে এয়ার ইন্ডিয়া মার্চ মাসে ৮০৫ টন ফল ও সবজি পরিবহন করে। এরপর রপ্তানির পরিমান আরও বাড়িয়ে এপ্রিল মাসে ১২৭৫ টন টাটকা ফল বিদেশে পাঠায়। (Credit - Getty Images)

মুম্বই থেকে ফ্র্যাঙ্কফুর্টে সপ্তাহে ৪০ টন ও দুবাই, নিউ ইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে ৩০ টন করে আম পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি দিল্লি থেকেও সান ফ্রান্সিসকো, টরন্টো, প্যারিস, হংকং এবগং সিডনিতে এই সুস্বাদু ফল পাঠানো হয়। (Credit - Getty Images)

পশ্চিম ভারতের আম উৎপাদনকারী অঞ্চলের কাছাকাছি হওয়ায় মুম্বই বিমানবন্দর আম রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। আমের মরশুমের ব্যস্ত দিনগুলোতে এয়ার ইন্ডিয়া মুম্বই থেকে লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১৮০ টন পর্যন্ত আম পাঠিয়েছে। (Credit - Getty Images)

বছরে ৪ লক্ষ টনেরও বেশি পণ্য পরিবহন করা এয়ার ইন্ডিয়া জানায়, আমের গুনগত মান ঠিক রাখার জন্য যাত্রাপথে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ জরুরি। তাই বাগান থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত আম আনা হয় রেফ্রিজারেটেড ট্রাকে করে। (Credit - Getty Images)

য়ার ইন্ডিয়া দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু, লন্ডন, নিউ ইয়র্কসহ ১৪টি বিমানবন্দরে কোল্ড-চেইন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। বিমান থেকে পণ্য ওঠানো-নামানোর সময় আমের সতেজতা বজায় রাখতে বিশেষ থার্মাল ব্ল্যাঙ্কেট ও কুল ডলি ব্যবহার করা হয়। (Credit - Getty Images)

এয়ার ইন্ডিয়ার কার্গো প্রধান রমেশ মামীদালা জানান, ১০০০ টন আম পাঠানো তাদের কোল্ড চেইনের বড় সাফল্য। বিদেশে, বিশেষ করে যেখানে প্রচুর ভারতীয় প্রবাসী বাস করেন, সেখানে গ্রীষ্মের মরশুমে ভারতীয় আমের চাহিদা সবসময়ই আকাশছোঁয়া থাকে। (Credit - Getty Images)