Super El Niño Impact: পাগলা ঘোড়ার মতো এগোচ্ছে Super El Nino, এই ১২ রাজ্যে সবথেকে বেশি প্রভাব পড়বে… তালিকায় বাংলার নামও?

El Niño Effect in India: এন নিনো সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর অন্তর হয়। এটি কোনও নির্দিষ্ট ক্রমে ঘটে না। এর প্রভাব সাধারণত নয় থেকে ১২ মাস স্থায়ী হয়। তবে কখনও কখনও এক বছর বা তারও বেশি সময় ধরে চলতে পারে।

|

Jun 17, 2026 | 4:35 PM

1 / 10
 ভারতে এসে গিয়েছে এল নিনো। চিন্তা বেড়েছে বর্ষা নিয়ে, কারণ এল নিনোর প্রভাবে বর্ষায় ঘাটতি দেখা দেয়। এবার বর্ষা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেশি, কারণ বৃষ্টি কম হলে, ফসল উৎপাদনও কম হবে। দাম বাড়বে খাদ্যপণ্যের। 

 ভারতে এসে গিয়েছে এল নিনো। চিন্তা বেড়েছে বর্ষা নিয়ে, কারণ এল নিনোর প্রভাবে বর্ষায় ঘাটতি দেখা দেয়। এবার বর্ষা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেশি, কারণ বৃষ্টি কম হলে, ফসল উৎপাদনও কম হবে। দাম বাড়বে খাদ্যপণ্যের। 

2 / 10
এই বছরে বর্ষা নির্দিষ্ট সময়ের আগে ভারতে প্রবেশ করলেও, তার গতি খুব ধীর। ১৬ জুন পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ বর্ষার ঘাটতি হয়েছে। এভাবেই যদি বর্ষার ঘাটতি হয়, তাহলে চাষবাসে বড় প্রভাব পড়বে। জলের ঘাটতি দেখা যাবে। ফসল উৎপাদন কম হবে।  

এই বছরে বর্ষা নির্দিষ্ট সময়ের আগে ভারতে প্রবেশ করলেও, তার গতি খুব ধীর। ১৬ জুন পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ বর্ষার ঘাটতি হয়েছে। এভাবেই যদি বর্ষার ঘাটতি হয়, তাহলে চাষবাসে বড় প্রভাব পড়বে। জলের ঘাটতি দেখা যাবে। ফসল উৎপাদন কম হবে।  

3 / 10
ইতিমধ্যেই কৃষি মন্ত্রক ১২টি রাজ্যকে চিহ্নিত করেছে, যেখানে খরিফ মরশুমে এল নিনোর সবথেকে বেশি প্রভাব পড়বে। এই রাজ্যগুলি হল উত্তর প্রদেশ, তামিলনাড়ু, অন্ধ্র প্রদেশ, তেলঙ্গানা, কর্নাটক, ওড়িশা, গুজরাট, রাজস্থান, বিহার, মধ্য প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড ও মহারাষ্ট্র। পশ্চিমবঙ্গের নাম নেই এই তালিকায়। এটাই স্বস্তির খবর।

ইতিমধ্যেই কৃষি মন্ত্রক ১২টি রাজ্যকে চিহ্নিত করেছে, যেখানে খরিফ মরশুমে এল নিনোর সবথেকে বেশি প্রভাব পড়বে। এই রাজ্যগুলি হল উত্তর প্রদেশ, তামিলনাড়ু, অন্ধ্র প্রদেশ, তেলঙ্গানা, কর্নাটক, ওড়িশা, গুজরাট, রাজস্থান, বিহার, মধ্য প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড ও মহারাষ্ট্র। পশ্চিমবঙ্গের নাম নেই এই তালিকায়। এটাই স্বস্তির খবর।

4 / 10
এই রাজ্যগুলির ৩২৬ জেলায় বড় প্রভাব পড়তে পারে। কৃষি মন্ত্রক এই জেলাগুলিকে সতর্ক করেছে এল নিনো নিয়ে। এই বছর তুলা ও ডালের চাষের উপরে বিশেষ জোর দিতে বলা হয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।

এই রাজ্যগুলির ৩২৬ জেলায় বড় প্রভাব পড়তে পারে। কৃষি মন্ত্রক এই জেলাগুলিকে সতর্ক করেছে এল নিনো নিয়ে। এই বছর তুলা ও ডালের চাষের উপরে বিশেষ জোর দিতে বলা হয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।

5 / 10
উন্নত বীজের সহজলভ্যতা, শস্য আবর্তন অর্থাৎ কোনও শস্যের ফলন কম হলে, অন্য ফসল চাষ করতে বলা হয়েছে। ডাল আমদানির ওপর ভারতের নির্ভরতা কমাতে এবং জোয়ার, বাজরা ও অন্যান্য শস্যের চাষ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

উন্নত বীজের সহজলভ্যতা, শস্য আবর্তন অর্থাৎ কোনও শস্যের ফলন কম হলে, অন্য ফসল চাষ করতে বলা হয়েছে। ডাল আমদানির ওপর ভারতের নির্ভরতা কমাতে এবং জোয়ার, বাজরা ও অন্যান্য শস্যের চাষ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

6 / 10
এই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশে জলাধারে জলস্তর, ফসলের দাম এবং সারের প্রাপ্যতা পর্যালোচনা করেছে। কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেছেন যে সারা দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। 

এই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশে জলাধারে জলস্তর, ফসলের দাম এবং সারের প্রাপ্যতা পর্যালোচনা করেছে। কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেছেন যে সারা দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। 

7 / 10
এন নিনো কীভাবে গঠিত হয়? সমুদ্রের তাপমাত্রা ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক। তবে এই তাপমাত্রা যদি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বাড়ে, তাহলে তা এল নিনো বলে গণ্য করা হয়। ভারত সহ পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে খরা দেখা দেয় এল নিনোর প্রভাবে।

এন নিনো কীভাবে গঠিত হয়? সমুদ্রের তাপমাত্রা ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক। তবে এই তাপমাত্রা যদি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বাড়ে, তাহলে তা এল নিনো বলে গণ্য করা হয়। ভারত সহ পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে খরা দেখা দেয় এল নিনোর প্রভাবে।

8 / 10
২০২৬ সালের এপ্রিলে প্রশান্ত মহাসাগরের উপরিভাগের জলের তাপমাত্রা রেকর্ডকৃত সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। ১.৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। জাতীয় সংস্থা এনওএএ (NOAA)-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। জুলাই মাসের শেষে তা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। অর্থাৎ ভারত সুপার এল নিনোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

২০২৬ সালের এপ্রিলে প্রশান্ত মহাসাগরের উপরিভাগের জলের তাপমাত্রা রেকর্ডকৃত সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। ১.৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। জাতীয় সংস্থা এনওএএ (NOAA)-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। জুলাই মাসের শেষে তা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। অর্থাৎ ভারত সুপার এল নিনোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

9 / 10
এন নিনো সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর অন্তর হয়। এটি কোনও নির্দিষ্ট ক্রমে ঘটে না। এর প্রভাব সাধারণত নয় থেকে ১২ মাস স্থায়ী হয়। তবে কখনও কখনও এক বছর বা তারও বেশি সময় ধরে চলতে পারে।

এন নিনো সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর অন্তর হয়। এটি কোনও নির্দিষ্ট ক্রমে ঘটে না। এর প্রভাব সাধারণত নয় থেকে ১২ মাস স্থায়ী হয়। তবে কখনও কখনও এক বছর বা তারও বেশি সময় ধরে চলতে পারে।

10 / 10
এল নিনোর কারণে বিশ্বজুড়ে অনেক দেশে খরা দেখা দেয়। ভারত সহ এশিয়ার দেশগুলিতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়। ফলে খরা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। উপকূলীয় দেশগুলিতে আবার ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যা দেখা দেয়। ফসলের ফলন কমে যায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে যায়। 

এল নিনোর কারণে বিশ্বজুড়ে অনেক দেশে খরা দেখা দেয়। ভারত সহ এশিয়ার দেশগুলিতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়। ফলে খরা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। উপকূলীয় দেশগুলিতে আবার ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যা দেখা দেয়। ফসলের ফলন কমে যায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে যায়। 

Follow Us