Water Logging: সেক্টর ফাইভ তো বটেই, উত্তর থেকে দক্ষিণ, গোটা কলকাতা ভাসছে,এক রাতে জল নামবে না, কেন? দেওয়া হল ব্যাখ্যা
Water Logging In Kolkata: জলমগ্ন সুকিয়া স্ট্রিট, এমজি রোড, ঠনঠনিয়া, বেহালা। যেহেতু এই এলাকাগুলো নীচু। জল বার করতে সময় লাগে। এরমধ্যেই এখন দুপুরে জোয়ার আসার সময়। ফলে সিঁদুরে মেঘ দেখছে পুরসভা।
জারি সতর্কতা। কলকাতা ও লাগোয়া দুই ২৪ পরগনায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে, হাওড়ায় কমলা সতর্কতা। নাগাড়ে বৃষ্টি ঘণ্টা দেড়েকের। ধর্মতলা, শিয়ালদহ, বেহালায় প্রায় হাঁটুসমান জল জমে গিয়েছে।
ঠনঠনিয়া কালীবাড়ির সামনের রাস্তার অবস্থা তথৈবচ। কেবল শহর কলকাতা নয়, হাওড়া-বারাসত, দুই ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় জল জমে গিয়েছে।
সল্টলেকের একাংশে হাঁটু সমান জল। বালি স্টেশনের আন্ডারপাসে বুক সমান জল জমে গিয়েছে। এখনও আকাশ কালো, বৃষ্টি এলে আরও পরিস্থিতি খারাপ হবে।
বিধান নগর পৌর নিগমের সাত নম্বর ওয়ার্ড কৈখালি সংলগ্ন হলদিরাম বিমানবন্দরগামী লেনে হাঁটু সমান জল।
জলমগ্ন সুকিয়া স্ট্রিট, এমজি রোড, ঠনঠনিয়া, বেহালা। যেহেতু এই এলাকাগুলো নীচু। জল বার করতে সময় লাগে। এরমধ্যেই এখন দুপুরে জোয়ার আসার সময়। ফলে সিঁদুরে মেঘ দেখছে পুরসভা।
কলকাতা পৌরনিগমের পাম্পিং স্টেশনগুলো চালু করা হয়েছে। কন্ট্রোলরুম থেকে ফলো আপ করা হচ্ছে। পাম্প চালিয়ে জল নামানোর চেষ্টা চলছে।
উত্তর কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিট, এমজি রোড, ঠনঠনিয়ার জল বার করার সমস্যা রয়েছে। বের করতে অনেক সময় লেগে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ গঙ্গার লক গেটের অনেকটাই বন্ধ রয়েছে। জল আপাতত বেরোবে না। গঙ্গার জলও বেরে রয়েছে। ফলে সেই জল ‘ব্যাক ফ্লো’ও করছে। তাতে চাপ বাড়ছে আরও।
সেন্ট্রাল এভিনিউতে ভেঙে পড়ল সুবিশাল কৃষ্ণচূড়া গাছ। কলকাতায় ঝড় বৃষ্টির জেরে গাছ ভেঙে পড়ে সেন্ট্রালিভিতে।অল্পের জন্য রক্ষা পায় একটি বেসরকারি বাস, বেসরকারি বাস পাস হয়ে যাওয়ার পরেই এই বড় কৃষ্ণচূড়া গাছটি ভেঙে পড়ে।