
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পরে অবশেষে রাজ্যের নতুন মন্ত্রীদের দফতর বণ্টনের বিষয়টি চূড়ান্ত। স্বরাষ্ট্র দফতর মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতেই রাখছেন। পাশাপাশি, আইন ও বিচার, ভূমি ও ভূমিরাজস্ব এবং বিদ্যুৎ দফতর রয়েছে মুখ্য়মন্ত্রীর হাতে

অর্থমন্ত্রী করা হয়েছে স্বপন দাশগুপ্তকে। সূত্রের খবর, প্রথম থেকেই স্বপনকে অর্থমন্ত্রী হিসেবেই বেশি পছন্দ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। শপথের অনেক আগে শিক্ষা বিভাগের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন তিনি। তখন অবশ্য অন্য জল্পনা দানা বেঁধেছিল।

স্কুলশিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে উত্তরবঙ্গের বিজেপি নেতা তথা রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক দীপক বর্মণ।

উচ্চশিক্ষা দফতর জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে। সঙ্গে প্রযুক্তিগত শিক্ষা-স্কিল ডেভেলপমেন্ট। উচ্চশিক্ষা, স্কুলশিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ইত্যাদির জন্য আলাদা আলাদা মন্ত্রী করা হয় না। কিন্তু বাংলায় এই নীতি অনুসরণ করা হয় না।

শঙ্কর ঘোষের হাতে রয়েছে পর্যটন দফতর। পাশাপাশি বিধানসভা বিধায়ক মন্ত্রীও তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে পেশায় চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের নাম এ দিন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ঘোষণা করেছেন। বুধবার নিউ টাউনের রামমন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। উপস্থিত ছিলেন শারদ্বতও। সেখানেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে শারদ্বতের নাম জানান মুখ্যমন্ত্রী।

কুমারগ্রামের বিধায়ক মনোজ কুমার ওঁরাওয়ের হাতে বন ও পরিবেশ দফতর

অনগ্রসর শ্রেণি উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব পেলেন গৌরীশঙ্কর ঘোষ। এর সঙ্গে মাস এডুকেশন এক্সপেনশন অর্থাৎ জনশিক্ষা বিস্তার ও লাইব্রেরি সার্ভিস দফতর তাঁর অধীনে রয়েছে।

খড়দহ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কল্যাণ চক্রবর্তী। শিক্ষাবিদ তথা কৃষিবিজ্ঞানী কল্যাণ পাচ্ছেন খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানবিদ্যা; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জৈবপ্রযুক্তি; তথ্যপ্রযুক্তি ও বৈদ্যুতিন দফতরের দায়িত্ব।

অরূপ কুমার দাসকে দেওয়া হয়েছে সেচ দফতরের দায়িত্ব।

অজয় কুমার পোদ্দারের হাতে 'পাবলিক হেলফ ইঞ্জিনিয়ারিং অর্থাৎ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ও পাবলিক ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্ট অর্থাৎ পূর্ত দফতর।

বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা তথা ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক দুধকুমার মণ্ডলকে দেওয়া হয়েছে কৃষি দফতরের দায়িত্ব

শ্রম ও পরিবহন দফতরের দায়িত্ব পেলেন অর্জুন সিং।