
সলমন খান ও ঐশ্বর্য রাই বচ্চন, একে অন্যের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন টানা আড়াই বছর। যদিও শুরুটা সুখকর হলেও শেষটা মোটেও স্বস্তির ছিল না।

এই সম্পর্কের ভাঙনের খবর আজও বলিউডের অন্দরমহলের টাটকা গসিপ। যা নিয়ে রীতিমত চর্চা থাকে তুঙ্গে। প্রকাশ্যে ঐশ্বর্যের গায়ে হাত তোলা, তাঁকে সন্দেহ করার কারণেই নাকি বিচ্ছেদের পথ বেছে নিয়েছিলেন ঐশ্বর্য।

অতীতে একাধিক সাক্ষাৎকারে এই বিষয় মুখ খুলতে দেখা যায় তাঁকে। দাবি করেছিলেন সলমন খান তাঁকে শারীরীক নির্যাতন করতেন। কিন্তু সলমন এই প্রসঙ্গে স্পষ্ট নিজের মতামত রাখতে পিছপা হননি।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছিলেন, সম্পর্কে ঝগড়া-লড়াই থাকবে। যদি তা না থাকে তবে সেই সম্পর্ক কোনও সম্পর্কই নয়। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

তবে একটা সময়ের ঐশ্বর্য তা মেনে নিতে একেবারই রাজি ছিলেন না। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি এই সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান না।

ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের এই সিদ্ধান্ত মোটেও মেনে নিতে পারেননি সলমন খান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি কোনও মতেই ছাড়বেন না ঐশ্বর্যকে। যদিও তা বাস্তবে সম্ভবপর হয়নি।

সম্প্রতি যে ছবি দেখা গিয়েছিল সন্দীপ রেড্ডি ভার্গার ছবি কবীর সিং-এ। যেখানে প্রেমিকার গায়ে হাত তুলতে দেখা যায় অভিনেতাকে। সেই দৃশ্যের সাফাই দিতে গিয়ে পরিচালকও তুলেছিলেন সলমনের কথা।

সলমনের উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছিলেন, সলমন খানের মতোই বিষয়টা। ভালবাসা থাকলে এটা সম্ভবপর। যদিও বিতর্ক তাতে বিন্দুমাত্র পিছু ছাড়েনি।