
দিনরাত পরিশ্রম করেও প্রাপ্য অর্থ ও সম্মান পান না অনেকেই। জীবনে সাফল্যের সিঁড়ি বয়ে নিজের গন্তব্যস্থল কবে আসবে সেই আশায় প্রতিদিনই শূণ্য থেকে শুরু করেন বহুজন। কিন্তু তাতেও সাফল্য মেলে না। সাফল্যের শীর্ষে যারা রয়েছেন, তাদের জীবকাহিনি পড়ে বা দেখে অনুপ্রাণিত হয়েও নিজের পথ কিছুতেই খুলতে চায় না। ভাগ্যের ফেরে সেই শূণ্যতেই দাঁড়িয়ে থাকেন তাঁরা। প্রতিটি কাজের নির্দিষ্ট একটি সময় রয়েছে। কার কখন ভাগ্য বদলে যাবে, তার কোনও নির্দিষ্ট সময় না তারিখ নেই। তাই সাফল্যের সিঁড়িতে চলার পথেই মেনে চলতে হবে বেশ কিছু নিয়ম ও শৃঙ্খলা। সেইগুলি অনুসরণ করলেই কর্মজীবনেও মিলবে উন্নতি ও সাফল্য। জীবনে আনা উচিত একটি নির্দিষ্ট অনুশাসন।
জীবনকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে ও সফলতা অর্জনের জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলা আবশ্যিক। কঠিন নয়, তবে বেশ কিছু সাধারণ নিয়ম রয়েছে, যা খুব ছোট কিন্তু প্রতিটি ব্যক্তির জন্য এই টিপসগুলি অত্যন্ত কার্যকরী।
১. সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আপনি যে পোশাক পরে রাতে ঘুমিয়েছেন, সেই পোশাক পরে আপনার কখনওই পূজা করা উচিত নয়। একইভাবে, স্যালোঁ বা ওয়াশরুমে ব্যবহৃত কাপড় পুজোপাঠের সময় ব্যবহার করা উচিত নয়। তেল মাখানো, বমি করা বা শ্মশান থেকে ফিরে আসার পর জামাকাপড় দিয়ে স্নান করা উচিত, অর্থাৎ সেই কাপড় পরেই স্নান করা উচিত।
২. সবসময় পূর্ব ও উত্তর দিকে মুখ করে দাঁত ব্রাশ করবেন না। যখনই সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণ হবে তখন শরীরে তেল ইত্যাদি মাখা উচিত নয়। শুধু তাই নয়, মূর্তি স্পর্শ না করেই ভগবানকে স্মরণ করা যায়।
৩. গাছের ছায়ায় বা গাছের নীচে মলত্যাগ করা উচিত নয়। শুধু তাই নয়, অগ্নি, সূর্য, গরু, ব্রহ্মা, গুরু ও চন্দ্র, বায়ু, জল ও মন্দিরের উদ্দেশ্যে পুরুষ ও মহিলাদের মল-মূত্র উৎসর্গ করা উচিত নয়।
৪. সবসময় উত্তর ও পূর্ব দিকে মুখ করে খাবার খাওয়া উচিত। মনে রাখতে হবে, খাওয়ার সময় চুপচাপ থাকতে হবে, কথা বলা একেবারেই ঠিক নয়। মহিলারা এঁটো মুখে ও অশুদ্ধ অবস্থায় গুরু-ব্রাহ্মণ-মহাত্মার কাছে যাবেন না। এই নিয়মগুলি মেনে চলে তাকে জীবনে কখনও কঠিন সমস্যার মুখে পড়তে হয় না।