
ঝুল পরিষ্কার করার পরই আবার ঝুল ও নোংরা জমে যায়। এছাড়া কয়েকদিন অপরিষ্কার থাকলেই বাড়িতে মাকড়সার জাল তৈরি হয়। আবার অনেক সময় হয়েছে, বাড়িতে এমন অনেক জায়গা হয়েছে, যেখানে নিয়মিত যাওয়া হয় না। সেখানে মাকড়সার জাল বুনে পোড়ো বানিয়ে ফেলে। আর এই জাল দীর্ঘদিন ধরে থাকলে জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, রাহু-কেতুর আতুড়ঘর তৈরি হয়। ঘরে বারবার মাকড়সার জাল তৈরি হওয়ারও রয়েছে বিশেষ অর্থ। কথিত আছে, মাকড়সার জাল যত পুরনো হয়, সেখানে দারিদ্র্যের বাস হয় শীঘ্র। জ্যোতিষীদের মতে, বাড়িতে মাকড়সার জাল বাস্তুশাস্ত্রে অশুভ বলে মনে করা হয়। মাকড়সার জাল ঘরে দারিদ্র্য বয়ে নিয়ে আসে। অনেক বাড়িতে বারবার পরিষ্কার করার পরও জাল আটকে থাকে। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে ঘরে মাকড়সার জাল রাখা ঠিক নয়। জালের উপস্থিতির কারণে ভূত-প্রেত ও অশুভ শক্তি দ্রুত ঘরে আকৃষ্ট হয়। এমনকি এই জাল রাজার আসন থেকে কাঙালেও পরিণত করার ক্ষমতা রাখে।
শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে, ঘর পরিষ্কার না রাখলে, মাকড়সার জালে রাহু-কেতু সেই বাড়িতেই বসবাস করে। রাহু-কেতু ব্যক্তির বুদ্ধিকে বিভ্রান্ত করে তোলে। এর কারণে ব্যক্তি মায়ার জালে আটকে থাকে। ভয়ানক দুর্ঘটনা, ভূত-প্রেত ও অশুভ আত্মা বাড়িতেও বাস করে থাকে। বাড়িতে ঝগড়া-অশান্তি বাড়লে পরিবারেও উত্তেজনা ও উদ্বেগ বাড়তে থাকে। চাকরি ও ব্যবসার নানা কাজে বাধাও আসতে শুরু হয়। বিভিন্ন রোগেরও আতুঁড়ঘর তৈরি হয়।
আপনার বাড়িতে যত্রতত্র নোংরা পরিবেশ হয়ে থাকলে রাহু-কেতুর কুনজরে পড়তে পারেন। রাহু-কেতুর প্রভাবে কোটিপতি থেকে দরিদ্রে পরিণতহতে একটি দিনও সময় লাগে না। নানা কারণে রাতারাতি দারিদ্র্যে পরিণত হতে পারেন আপনি। বাড়িতে মাকড়সার জাল দুর্ভাগ্যের প্রতীক। বাড়িতে যদি মাকড়সার জাল বেশিমাত্রায় থাকে, তাহলে দেবী মহালক্ষ্মীও তাকে ছেড়ে চলে যান। তাই ঘরের কোণে যদি মাকড়সার জাল দেখতে পান, তাহলে তা অবিলম্বে পরিষ্কার করা উচিত।