
গণেশ চতুর্থী (Ganesh Chaturthi) এসে গিয়েছে। চারদিকে এখন সাজ সাজ রব। হিন্দু ধর্মে একটা কথা প্রচলিত, যে কোনও ভালো কাজ শুরুর আগেই ডাকতে হয় সিদ্ধিদাতা গণেশকে। বিশ্বাস করা হয়, বাপ্পার কাছে হাত পাতলে খালি হাতে ফিরতে হয় না কাউকে। কিন্তু পুজো করার সময় তিনি ঠিক কীসে সবচেয়ে বেশি তুষ্ট হন? অনেকেই ভাবেন বিশাল কিছু আয়োজন করতে হবে। আসলে কিন্তু তা নয়, সাধারণ কিছু নিয়ম আর পছন্দের জিনিস দিলেই বাপ্পার আশীর্বাদ মেলে।
ভোগের থালায় কী কী রাখবেন?
গণেশ ঠাকুরের কথা উঠলেই যে খাবারের ছবিটা সবার আগে চোখে ভাসে, তা হল মোদক। শাস্ত্রমতে, পুজোয় ২১টি মোদকের ভোগ দিলে গণপতি দারুণ খুশি হন। তবে মোদক বানাতে না পারলে বা না পেলেও চিন্তা নেই। বেসনের লাড্ডু, মতিচুর বা সাধারণ বোঁদের লাড্ডুও তাঁর ভীষণ প্রিয়। এর সঙ্গে দিতে পারেন কলা, নারকেল আর গুড়।
গণেশ ঠাকুরের প্রিয় ফুল কী?
শাস্ত্র ঘাঁটলে দেখা যায়, গণপতি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন লাল রঙের ফুল। তাই পুজোয় লাল জবা রাখা একপ্রকার মাস্ট। বলা হয়, জবা ফুল দিলে জীবনের বহু দিনের আটকে থাকা কাজও নাকি সহজে মিটে যায়। তবে যদি জবা না পান, মন খারাপ করবেন না। লাল গোলাপ, গাঁদা, চামেলি কিংবা পারিজাত দিলেও তিনি খুশি মনে গ্রহণ করেন।
তবে ফুলের সঙ্গে আরেকটি জিনিস ছাড়া গণপতির পুজো একেবারেই অসম্পূর্ণ। সেটা হল দূর্বা ঘাস। পুজোয় ঠিক ২১টি টাটকা দূর্বা একসঙ্গে বেঁধে অর্পণ করার নিয়ম রয়েছে। শুধু মনে রাখবেন, ঘাস যেন ধুলোবালি মুক্ত আর একদম পরিষ্কার জলে ধোয়া থাকে।
পুজোর একদম সহজ নিয়ম