
নিয়ম অনুযায়ী, কোথাও কোথাও হোলির এক মাস আগেও উত্সব শুরু হয়ে যায়। আবার কোথাও কোথাও এক সপ্তাহ আগে থেকেই রঙের উত্সব শুরু হয়েযায়। বৈদিক ক্যালেন্ডার অনুসারে, ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে হোলিকা দহন হয়, পরের দিন রঙ দিয়ে হোলি খেলা হয়। চলতি বছরে হোলিকা দহন হবে আগামী ২৪ মার্চ ও রঙের খেলা হবে পরের দিন অর্থাৎ ২৫ মার্চ। হোলাষ্টক শুরু হয়েছে ৮ দিন আগে অর্থাৎ ১৭ মার্চ থেকে। শাস্ত্র অনুসারে হোলিকা দহনের কিছু প্রথা ও ঐতিহ্যও রয়েছে। হোলিকা দহন হল, অশুভ শক্তিকে হারিয়ে শুভকে জয় করা। কিন্তু এই দহন উত্সবও অনেকের কাছে অপয়া। যাদের জন্য হোলিকা দহনের আগুনের শিখা দেখা শুভ বলে মনে করা হয় না।
শাস্ত্র অনুসারে, নতুন বিয়ে হয়ে প্রথমবার শ্বশুর বাড়িতে এলে, নববধূর হোলিকা দহন দেখা উচিত নয়। তা শুভ বলে মনে করা হয় না। বলা হয়ে থাকে যে এর ফলে বিবাহিত জীবনে অনেক সমস্যা তৈরি হতে পারে।
গর্ভবতী মহিলাদেরও হোলিকা দহন দেখা এড়িয়ে চলা উচিত। এছাড়া হোলিকাকে প্রদক্ষিণ করাও অশুভ বলে মনে করা হয়। গ্রহদোষের পাশাপাশি শিশুর উপর অশুভ প্রভাব পড়তে পারে। ভবিষ্যতে অনেক বাধা সৃষ্টি হতে পারে।
শাস্ত্র অনুসারে, নবজাতক শিশুকেও হোলিকা দহন দেখানো উচিত নয়। সন্তান প্রতিটি পদে নেতিবাচকতার সম্মুখীন হতে পারে। নেতিবাচক শক্তি শিশুর উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
কথিত আছে, শাশুড়ি ও পুত্রবধূর একসঙ্গে হোলিকা দহন দেখা উচিত নয়। তাতে পারস্পরিক বিভেদ বাড়তে পারে, সম্পর্কের মধ্যে তিক্ততা তৈরি হতে পারে। পরিবারে ঝামেলা বৃদ্ধির সম্ভাবনাও থাকতে পারে।
যে পিতামাতার একমাত্র সন্তান, তাদের হোলিকা দহনের আগুন দেখা এড়িয়ে চলা উচিত। অশুভ বলে মনে করা হয়। রীতি মেনে, বাড়ির একজন বয়স্ক ব্যক্তির উচিত হোলিকা দহনের রীতি মেনে চলা।