
আগামী ২০ জুন ২০২৬, শনিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হতে চলেছে বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম জনপ্রিয় উৎসব জামাইষষ্ঠী (Jamai Shashthi)। এই বিশেষ দিনে সাধারণত জামাইয়ের মঙ্গল কামনায় শাশুড়ি মায়েরা ষষ্ঠী পুজো করে থাকেন। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের (Astrology) গণনা অনুযায়ী, এবারের জামাইষষ্ঠী শুধু খাওয়া-দাওয়া আর নিয়মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং কিছু রাশির জাতকের জীবনে বড়সড় অর্থনৈতিক সৌভাগ্যের দরজা খুলে যাবে। বিশেষ করে এই সময় মহাকাশে তৈরি হওয়া ‘বুধাদিত্য রাজযোগ’ নির্দিষ্ট দুটি রাশির জামাইদের ভাগ্য পুরোপুরি বদলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জ্যোতিষীদের মতে, প্রতিটি গ্রহই একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর নিজেদের রাশি পরিবর্তন করে থাকে। গ্রহের এই চলনের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে মানবজীবনের ১২টি রাশির উপরেই। কোনও কোনও রাশির জন্য এই পরিবর্তন যেমন অশুভ বার্তা নিয়ে আসে, তেমনই বেশ কিছু রাশির জীবনে আসে উন্নতির জোয়ার। গত ১৫ জুন গ্রহের রাজকুমার বুধ এবং গ্রহের রাজা সূর্য একই রাশিতে মিলিত হওয়ায় তৈরি হয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী ‘বুধাদিত্য রাজযোগ’। এই সংযোগের ফলে নেতৃত্বগুণ বৃদ্ধি, কর্মক্ষেত্রে বড় সাফল্য এবং দীর্ঘদিনের আটকে থাকা ব্যবসা-বাণিজ্যে অভাবনীয় উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।
চলুন দেখে নেওয়া যাক এই রাজযোগের সুবাদে কোন ২ রাশির জামাইদের পকেট গরম হতে চলেছে
সিংহ রাশি (Leo)
সিংহ রাশির জাতকদের জন্য এই বুধাদিত্য রাজযোগ অত্যন্ত ইতিবাচক ফল নিয়ে আসতে চলেছে। শাশুড়ির আশীর্বাদের পাশাপাশি গ্রহের কৃপায় এদের রোজগারের গ্রাফ এক ধাক্কায় অনেকটা উঁচুতে উঠবে। বিশেষ করে যাঁরা মিডিয়া, ফ্যাশন, ফিল্ম কিংবা মডেলিং দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা এই সময় বড় কোনও চুক্তিতে সই করতে পারেন। আর্থিক দিক থেকে লাভের মুখ দেখায় জীবনে মানসিক শান্তি ফিরবে।
মিথুন রাশি (Gemini)
মিথুন রাশির জাতকদের ক্ষেত্রে সোনায় সোহাগা। কারণ এদের রাশিতে এই মুহূর্তে তৈরি হচ্ছে জোড়া রাজযোগ, ‘বুধাদিত্য’ এবং ‘মালব্য রাজযোগ’। বুধ এই সময় রাশির নবম ঘরে ভ্রমণ করায় ভাগ্য এদের পূর্ণ সমর্থন করবে। সমাজে বা কর্মক্ষেত্রে যারা উচ্চপদে কাজ করছেন, তাঁদের মান-সম্মান ও পদোন্নতির যোগ রয়েছে। ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া টাকা আচমকাই হাতে চলে আসতে পারে।
(বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্য সম্পূর্ণভাবেই জ্যোতিষবিদদের মতামত এবং প্রচলিত বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে লেখা। এর কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা প্রমাণ নেই। গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান মানুষের জীবনকে কতটা প্রভাবিত করে, তা বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রমাণিত নয়।)