Kaushiki Amavasya 2026: কবে পড়েছে কৌশিকী অমাবস্যা? মা তারার পুজোর সঠিক সময় ও নির্ঘণ্ট জানুন

Kaushiki Amavasya date and time: কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya) বললেই মনে পড়ে যায় তারাপীঠের কথা। ২০২৬ সালের কৌশিকী অমাবস্যা কবে? জেনে নিন পুজো ও তিথির সঠিক সময়, মা তারার কৃপা পাওয়ার নিয়ম এবং এই দিনের আসল গল্প।

Kaushiki Amavasya 2026: কবে পড়েছে কৌশিকী অমাবস্যা? মা তারার পুজোর সঠিক সময় ও নির্ঘণ্ট জানুন
জেনে নিন

Aug 04, 2026 | 10:14 AM

কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya) বললেই মনে পড়ে যায় তারাপীঠের কথা। ভাদ্র মাসের এই অমাবস্যার জন্য সারা বছরের অপেক্ষা থাকে ভক্তদের। বিশ্বাস করা হয়, এই বিশেষ দিনে মা তারার কাছে মন থেকে কিছু চাইলে খালি হাতে ফিরতে হয় না। কিন্তু ২০২৬ সালে এই অমাবস্যা ঠিক কবে পড়েছে? পুজো দেওয়ার সঠিক সময়টাই বা কখন?

কবে ও কখন থেকে অমাবস্যা তিথি?

পঞ্জিকা অনুসারে, এ বছর কৌশিকী অমাবস্যা পড়েছে ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার। আর এই অমাবস্যা তিথি থাকবে পরের দিন অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত।

ঘড়ির কাঁটা ধরে সঠিক সময় জেনে নিন:

তিথি শুরু: ১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা ১১ মিনিটে অমাবস্যা তিথি শুরু হচ্ছে।

তিথি শেষ: ১১ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে অমাবস্যা ছেড়ে যাবে।

তাই ভক্তরা মা তারার পুজো ও সাধনার জন্য এই নির্দিষ্ট সময়টুকুই পাবেন।

দেবীর নাম কেন ‘কৌশিকী’ কেন?

এর পেছনে রয়েছে এক পৌরাণিক গল্প। শুম্ভ আর নিশুম্ভ নামে দুই অত্যাচারী অসুর ব্রহ্মা দেবের কাছ থেকে বর পেয়েছিল যে, কোনও মাতৃগর্ভ থেকে জন্ম নেওয়া নারী তাদের মারতে পারবে না। অর্থাৎ ‘অযোনিসম্ভূতা’ নারী ছাড়া তাদের বধ করা অসম্ভব।

সেই সময় দেবী পার্বতীর গায়ের রঙ একটু কালো ছিল বলে মহাদেব তাঁকে ভালোবেসে ‘কালিকা’ বলে ডাকতেন। এক দিন সবার সামনে ওই নামে ডাকায় দেবীর মনে খুব অভিমান হয়। তিনি মানস সরোবরের তীরে গিয়ে কঠোর তপস্যা শুরু করেন। তপস্যা শেষে সরোবরের জলে স্নান করতেই দেবীর গায়ের সব কালো কোশ ঝরে পড়ে। আর দেবী পার্বতী হয়ে ওঠেন পূর্ণিমার চাঁদের মতো ফর্সা ও সুন্দরী।

দেবী পার্বতীর শরীর থেকে ঝরে পড়া সেই কালো কোশ (cell) থেকেই জন্ম নেন আরেক নতুন দেবী। কোশ থেকে জন্ম হয়েছে বলেই তাঁর নাম হয় কৌশিকী। তিনিই পরবর্তীতে ভাদ্র মাসের এই বিশেষ দিনে দুই অসুরকে বধ করে দেবতাদের রক্ষা করেছিলেন।

তারাপীঠ ও সাধক বামাক্ষ্যাপার কথা

তন্ত্রমতে এই বিশেষ রাতকে বলা হয় ‘তারা রাত্রি’। প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে, এই রাতে ভালো ও মন্দ, দুই শক্তির পথই খুলে যায়। আমাদের বাংলার মহান সাধক বামাক্ষ্যাপা এই কৌশিকী অমাবস্যার দিনেই তারাপীঠের শ্মশানে সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন এবং মা তারার দেখা পেয়েছিলেন। সেই থেকে প্রতি বছর এই দিনে তারাপীঠে মা তারাকে বিশেষ রাজবেশে সাজানো হয় এবং মহা ধুমধাম করে পুজো করা হয়।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us