Janmashtami 2026 Puja: জন্মাষ্টমীর পুজোয় এই একটা ভুলেই সব পণ্ড! জানুন সঠিক নির্ঘণ্ট ও শুভ সময়

Janmashtami tithi 2026: ২০২৬ সালের জন্মাষ্টমীতে (Krishna Janmashtami 2026) বাড়িতে নাড়ু গোপালকে কীভাবে সাজাবেন? জেনে নিন পুজোর সঠিক নির্ঘণ্ট এবং পুজো করার সময় কোনও ভাবেই কোন ভুলটি করা উচিত নয়।

Janmashtami 2026 Puja: জন্মাষ্টমীর পুজোয় এই একটা ভুলেই সব পণ্ড! জানুন সঠিক নির্ঘণ্ট ও শুভ সময়
কবে পড়েছে পুজো?Image Credit source: Getty Images

Aug 07, 2026 | 12:43 PM

নাড়ু গোপাল (Sri Krishna) নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে একটা মিষ্টি হাসিমুখ আর মাখন চুরির মজার সব গল্প। জন্মাষ্টমী মানেই ঘরে ঘরে উৎসবের আমেজ, আনন্দে মেতে ওঠার দিন। সারা দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাঙালির ঘরে ঘরেও পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু অনেকের মনেই একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, ২০২৬ সালে জন্মাষ্টমী ঠিক কবে পড়েছে? ৪ না ৫ সেপ্টেম্বর? জেনে নিন এই বছরের জন্মাষ্টমীর দিনক্ষণ আর পুজোর নিয়মকানুন। নাড়ু গোপালের পুজোয় কোন ভুলটি কখনও করা চলবে না।

কবে পড়েছে জন্মাষ্টমী?

হিন্দু শাস্ত্রে রাতের বেলা, বিশেষ করে ‘নিশীথ কাল’ বা ঠিক মধ্যরাতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মক্ষণ উদযাপনের নিয়ম রয়েছে। পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথি ৪ এবং ৫ সেপ্টেম্বর দু’দিন ধরেই থাকছে। তবে গৃহস্থ এবং মঠ-মন্দিরের পুজোর নিয়মে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

এক নজরে পুজোর সময়কাল ও তিথি:

অষ্টমী তিথি শুরু: ৪ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার), রাত ২টো ২৫ মিনিটে।

অষ্টমী তিথি শেষ: ৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার), দুপুর ১২টা ১৩ মিনিটে

গৃহস্থ বাড়িতে জন্মাষ্টমী (স্মার্ত মত): যেহেতু ৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে অষ্টমী তিথি থাকছে, তাই সাধারণ গৃহস্থ বাড়িতে ৪ সেপ্টেম্বরই জন্মাষ্টমী পালিত হবে।

ইসকন ও মঠ-মন্দিরে জন্মাষ্টমী (বৈষ্ণব মত): ইসকন মন্দির ও বৈষ্ণব মতে এই উৎসব পালিত হবে পরের দিন, অর্থাৎ ৫ সেপ্টেম্বর।

নিশীথ কালের পুজো (মধ্যরাতের শুভ সময়): ৪ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৭ মিনিট থেকে ১২টা ৪৩ মিনিট পর্যন্ত হল পুজোর সবথেকে শুভ সময়। এই ৪৬ মিনিটেই চলবে গোপালের মূল আরাধনা।

নাড়ু গোপালের পুজোয় কোন ভুল কখনও করবেন না?

বাড়িতে নাড়ু গোপাল থাকলে অনেকেই খুব ভক্তিভরে পুজো করেন। কিন্তু অজান্তেই একটা বড় ভুল হয়ে যায়। মনে রাখবেন, শ্রীকৃষ্ণের পুজো বা ভোগে তুলসী পাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক। তুলসী পাতা ছাড়া নাড়ু গোপালের পুজো একেবারেই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই পঞ্চামৃত বা মাখন-মিছরির ভোগ বানানোর পর তাতে তুলসী পাতা দিতে কখনও ভুলবেন না।

পাশাপাশি, নাড়ু গোপালকে স্নান করানোর জন্য পরিষ্কার পাত্র ব্যবহার করবেন। দুধ, দই, ঘি, মধু ও গঙ্গাজল একসঙ্গে মিশিয়ে পঞ্চামৃত তৈরি করাটাই হল সঠিক নিয়ম। যাঁরা এই বিশেষ দিনে উপোস করে থাকেন, তাঁরা পুজোর পরের দিন অর্থাৎ ৫ সেপ্টেম্বর সকালে সূর্য ওঠার পর নিয়ম মেনে ব্রত ভাঙতে পারবেন। কথায় আছে, ভক্তিভরে ডাকলে ভগবান ঠিক সাড়া দেন। তাই সব নিয়মকানুন মাথায় রেখে এখন থেকেই শুরু করে দিন ছোট্ট গোপালের জন্মদিনের প্রস্তুতি!

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us