
বর্তমানে গোপালের পুজো ও সেবা করার আয়োজনের রীতি রয়েছে। জন্মাষ্টমীর সময় সেই ছবি আরও স্পষ্ট হয়। ধর্মীয় গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে, ঋতু বদলের সঙ্গে সঙ্গে ভগবানের পুজো ও রীতির নিয়মেরও পরিবর্তন ঘটে। বিভিন্ন ঋতুতে গোপালের পুজো ও পরিবেশনের জন্যেও বিভিন্ন নিয়ম রয়েছে। শীতকাল বা গরমকাল, যে কোনও ঋতুতেই ঠাকুর সেবা ও পুজো করার আলাদা নিয়ম রয়েছেয এই ভ্য়াপসা ও তাপদাহের সময় লাড্ডু গোপাল পরিবেশনের সময় কী কী খেয়াল রাখা দরকার, তা জেনে নিন এখানে…
– এই প্রচণ্ড গরমে, সূর্যোদয়ের আগে নিজের প্রিয় গোপালকে ঘুম থেকে তুলে দেওয়া উচিত। তারপর স্নান করিয়ে, পরিষ্কার পোশাক পরিয়ে মাখন বা মিছরি সকালের প্রসাদ ভোগ হিসেবে নিবেদন করতে পারেন।
– একটি ছোট শিশুর যত্ন যেমন নেওয়া হয়, লাড্ডু গোপালেরও যত্ন তেমনিই নেওয়া হয়। সন্তানের মতো একেবারেই বাড়ির ঠাকুঘরে সেবা করা হয়। প্রচণ্ড গরমে অমেকেই এসি পর্যন্ত ব্যবস্থা করেন। পরিবেশকে ঠাণ্ডা রাখতে অনেক টেবিলফ্যান বা বড় পাখা চালানোর ব্যবস্থা করেন। তাতে গোপাল তৃপ্ত হন।
-পুজোর সময় লাড্ডু গোপালের গায়ে চন্দন লাগানো উচিত। লাড্ডু গোপাল চন্দন কাঠের গন্ধ ও পেস্ট খুব পছন্দ করেন। টানা ২১ দিন ধরে চন্দন দিয়ে সজ্জিত করা উচিত। মনে রাখা উচিত, গ্রীষ্মের দিনে চন্দনের মাত্রা বৃদ্ধি করলে শরীর ঠাণ্ডা থাকে।
-গরম থেকে রক্ষা করতে ও আরাম দিতে সুগন্ধি বা পারফিউম ব্যবহার করা যায়।
– গ্রীষ্মকালে যেমন হালকা ও সুতির কাপড় ব্যবহার করা হয়, তেমনি লাড্ডু গোপালকেও হালকা ও সুতির পোশাক পরিয়ে সাজানো উচিত। তাতে গরম কম লাগতে পারে।