
কথিত আছে, রামের পরম ভক্ত হনুমানকে স্মরণ করলে যে কোনও আশঙ্কা বা ভয় থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাই প্রতি মঙ্গলবার হনুমানজির পুজো করার জন্য উত্সর্গ করা হয়। এও মনে করা হয়, রামভক্তরা এদিন রামের পুজো করার পাশাপাশি ভক্তিভরে হনুমানের পুজো করে থাকেন। সকলেই চান. জীবনে সুখ-শান্তি বজায় থাকে। জীবনে শুভকামনা ছাড়া আর কিছুই চাওয়া হয় না। অনেকে জীবনে সমৃদ্ধি লাভ করতে ভক্তরা মঙ্গলবার করে উপবাস পালন করেন। এই উপবাস রাখার ফলে দুর্ভাগ্য ধীরে ধীরে সৌভাগ্যে পরিণত হতে থাকে।
হনুমানজির পুজো করা খুব সহজ। কোনও ঝামেলা ছাড়াই পুজো ও উপবাস পালন করার রীতি রয়েছে। তবে জীবনে সব সঙ্কট থেকে মুক্তি পেতে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত। সকালে ঘুম থেকে উঠে স্নান সেরে শুদ্ধ হয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি যে কোনও হনুমান মন্দিরে বা বাড়িতে হনুমানজির সামনে দেশি ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে লাল বা কমলা রঙের সিঁদুর দান করতে হবে। এর পাশাপাশি তুলসীর মালাও অর্পন করা উচিত। নিবেদনের পাশাপাশি এদিন ভক্তিভরে হনুমানাষ্টক পাঠ করা উচিত। অনেকে প্রতিদিন হনুমান চল্লিশা পাঠ করেন। শুধু পড়লেই নয়, কানে শুনলেও হনুমানাষ্টক মন্ত্রের ফল পাওয়া যাবে দ্বিগুণ। পুজো করার শেষে আরতি করুন। এইভাবে প্রতি মঙ্গলবার এই নিয়ম মেনে চললে জীবনের সব সঙ্কট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এই হনুমানাষ্টক পাঠ করলে কী কী উপকার পাবেন, তাও উল্লেখ রয়েছে।
হনুমানাষ্টক মন্ত্র পাঠ কীভাবে করবেন?
বাল সময় রবি ভক্ষি লিয়ো তব ।
তীনহুঁ লোক ভয়ো অঁধিয়ারো । ।
তাহি সোঁ ত্রাস ভয়ো জগ কো ।
য় সঙ্কট কাহু সোঁ জাত ন টারো । ।
দেবন আনি করী বিনতী তব ।
ছাঁড়ি দিয়ো রবি কষ্ট নিবারো । ।
কো নহিঁ জানত হৈ জগমেঁ কপি ।
সংকটমোচন নাম তিহারোঁ । ।