
মাসির বাড়ি থেকে নিজের ঘরে ফেরার পালা জগন্নাথ দেবের। আগামী ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উল্টোরথ (Ulto Rath 2026)। আর জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, ঠিক এই শুভ দিনটিতেই ঘটতে চলেছে বড় ধরনের এক মহাজাগতিক রদবদল। ওই দিন গ্রহের সেনাপতি মঙ্গল (Mars Transit 2026) পদার্পণ করতে চলেছে নিজের প্রিয় মৃগশিরা নক্ষত্রে। জ্যোতিষবিদদের মতে, এই গোচর অত্যন্ত শক্তি ও সাফল্যের বাহক। ফলে রথযাত্রার সেই মাহেন্দ্রক্ষণ থেকেই চার রাশির জীবনে শুরু হতে চলেছে সাফল্যের এক নতুন অধ্যায়।
১. মেষ রাশি (Aries)
মঙ্গলের এই নক্ষত্র পরিবর্তন মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য উন্নতির নতুন দরজা খুলে দেবে। চাকুরিজীবী ব্যক্তিদের পদোন্নতির প্রবল যোগ রয়েছে, পাশাপাশি বৃদ্ধি পাবে আয়। এতদিন ধরে জমা হওয়া সঞ্চয়ের পরিমাণ এক ধাক্কায় বেশ কিছুটা বেড়ে যেতে পারে। ব্যবসা বা কর্মক্ষেত্র থেকে আসবে একের পর এক ভালো খবর। মোট কথা, ভাগ্যের পূর্ণ সহায়তায় আটকে থাকা কাজগুলো এবার চটজলদি মিটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই রাশির জাতক জাতিকাদের।
২. সিংহ রাশি (Leo)
সিংহ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য এই সময়টা চমৎকার হতে চলেছে। মঙ্গলের অশেষ কৃপায় ভাগ্যের চাকা ঘুরবে দারুণ গতিতে। কর্মক্ষেত্রে একের পর এক সাফল্যের সুযোগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। আর্থিক টানাটানি দূর হয়ে সঞ্চয় বাড়বে কয়েক গুণ। শুধু তাই নয়, পরিবার থেকে মিলবে পূর্ণ সমর্থন, সামাজিক সম্মান এবং দাম্পত্য জীবনের কলহ মিটে গিয়ে শান্তি ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানাচ্ছেন জ্যোতিষবিদরা।
৩. ধনু রাশি (Sagittarius)
ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের এ সময়ে ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কর্মকাণ্ডের দিকে ঝোঁক অনেকটাই বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গীকে সঙ্গে নিয়ে তীর্থযাত্রায় যাওয়ার বড় সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা শারীরিক কিংবা মানসিক কষ্টের অবসান ঘটতে চলেছে এবার। মঙ্গলের শুভ প্রভাবে স্বাস্থ্য নিয়ে সব চিন্তা দূর হবে। এমনকি সন্তান পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা দম্পতিরা পেতে পারেন মনের মতো সুসংবাদ।
৪. মকর রাশি (Capricorn)
যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক অশান্তি বা আত্মীয়দের সঙ্গে মনমালিন্যে ভুগছিলেন, তাঁদের দিন এবার বদলাতে চলেছে। পুরনো সব বিবাদ মিটে গিয়ে সম্পর্কে ফিরবে মিষ্টতা। পাশাপাশি, ইন্টারভিউ বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দারুণ সাফল্যের হাতছানি রয়েছে। যে কাজেই হাত দেবেন, তাতেই সাফল্য আসবে। সন্তানের পড়াশোনা বা কেরিয়ার সংক্রান্ত কোনও সুখবর পুরো পরিবারে আনন্দ ফিরিয়ে আনবে।
(এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্য সম্পূর্ণভাবে জ্যোতিষশাস্ত্রীয় গণনা এবং সাধারণ বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে লেখা। এর সঙ্গে বৈজ্ঞানিক কোনও ভিত্তি নাও থাকতে পারে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।)