
দিনে দিনে বেড়েই চলেছে দৈনন্দিন জীবনের খরচ। অথচ সেই হিসাবে যে আয় বাড়ছে এমনটা মোটেই নয়। সংসার চালান যেন দায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আবার এমন অনেকেই আছেন যাঁদের রোজগার বেশ ভাল। কর্মক্ষেত্রে ভাল ফল করছেন। ব্যবসা বেশ ভালই চলছে। টাকা রোজগার করছেন, কিন্তু সেই টাকা কজিছুতেই হাতে থাকছে না। এর অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে বাস্তু ত্রুটি।
সনাতন ধর্মে বাস্তু দোষের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। অনেকের বিশ্বাস যদি বাস্তুর নিয়ম ঠিক করে মেনে চলা যায়, তাহলে কোনও ধরনের রোগ বা ত্রুটি আমাদের জীবনকে প্রভাবিত করতে পারবে না।
বাস্তুশাস্ত্র অনুসারেই এমন কিছু জিনিস রয়েছে যা ঘরে তিনটি স্থানে রাখলে ঘর থেকে আর্থিক সংকট দূর হয়। এমনকি বাড়ির সব ধরনের নেতিবাচক শক্তিও দূর করা সম্ভব।
জানেন সেই জিনিসটি কী? বাস্তু শাস্ত্র মতে কর্পূরের অনেক গুরুত্ব রয়েছে। কর্পূর এমন একটি জিনিস, যা বাড়িতে ব্যবহার করলে বাড়িতে সর্বদা আর্থিক সমৃদ্ধি থাকে বলে মনে করা হয়। বাড়িতে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝগড়া-অশান্তিও বন্ধ হবে। বাড়িতে কর্পূর রাখলে ইতিবাচক শক্তির বিস্তার ঘটে বলেও মনে করা হয়। সেই কারণেই পুজোর সময় কর্পূর ব্যবহারের চল রয়েছে।
যাঁরা ক্রমাগত আর্থিক সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা বাড়িতে কর্পূর এনে প্রতিকার করে দেখতে পারেন। লাল কাপড় নিয়ে কর্পূরের টুকরো নিয়ে তা বেঁধে নিন। এবার সেটি অবশ্যই বাড়ির এমন জায়গায় রাখতে হবে, যাতে বাড়িতে সর্বদা ধন-সম্পদের আশীর্বাদ থাকে।
বাড়ির ঠাকুরঘর বা যে স্থানে ঠাকুর রাখা হয় সেই স্থানকে ইতিবাচক শক্তির উৎস বলে মনে করা হয়। বাড়িতে নেতিবাচক শক্তি দূর করতে বাড়ির ঠাকুরের আসনের কর্পূরের কাপড়টি রেখে দিন। এবার একটি লবঙ্গ পোড়াতে হবে। প্রতিদিন সন্ধেবেলা কর্পূর জ্বালিয়ে বাড়ির প্রধান দরজার সামনে রাখলে জীবনে সর্বদা সুখ-শান্তি বজায় থাকবে বলে মনে করা হয়। অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে। মনে করা হয় এতে ঘরে দেবী লক্ষ্মীর আগমন ঘটে।