OmDayal Group of Institutions: জাতীয় মঞ্চে সাফল্য থেকে উদ্ভাবন, গবেষণা- সাফল্যে ভরা ওমদয়াল গ্রুপের এক বছর

OmDayal Group of Institutions student achievements: শুধু নিয়মিত পড়াশোনা নয়, বর্তমান শিল্পক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতার সঙ্গে পড়ুয়াদের পরিচয় করাতেও একাধিক কর্মসূচি আয়োজন করেছে ওমদয়াল গ্রুপ। এর মধ্যে রয়েছে সাইবার সিকিউরিটি, এআই অ্যান্ড হিউম্যান গাইডেন্স, গ্রিন এআই ইন হেলথকেয়ার, ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারস-র জন্য এন্ট্রেপ্রনিউরশিপ অপাচুরিটিস-র মতো বিষয়ে সেমিনার।

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Aug 24, 2026 | 5:22 PM

সকলেই চান সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে। এই ভবিষ্যৎ গড়তে তাদের জন্য সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেছে নেওয়া জরুরি। আর এখানেই সেরা অপশন হল ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউট। বিগত কয়েক মাসে পড়াশোনা থেকে শুরু করে গবেষণা, প্রযুক্তি এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে একের পর এক সাফল্য পেয়েছে ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউট (OmDayal Group of Institutions)। জাতীয় স্তরের বিভিন্ন শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান আয়োজন থেকে শুরু করে পড়ুয়াদের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের সুযোগ করে দেওয়া—সব ক্ষেত্রেই নিজেদের পরিধি বাড়িয়েছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ক্লাসরুমের পড়াশোনার বাইরেও বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করাই এখন ওমদয়াল গ্রুপের অন্যতম লক্ষ্য।

৬৮তম  জ়োনাল নাসা কনভেনশন আয়োজন-

ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউটে এই বছরের অন্যতম বড় আকর্ষণ ছিল ৬৮তম  জ়োনাল নাসা কনভেনশন (68th Zonal NASA Convention – Zone 4)। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওমদয়াল কলেজ অব আর্কিটেকচার (OmDayal College of Architecture)-এ এই তিন দিনের অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

“সমন্বয়: যুগের মিলন’ (Samanvaya: Bridging the Eras) ছিল এবারের সম্মেলনের মূল থিম। অনুষ্ঠানে ৪০০-রও বেশি তরুণ আর্কিটেকচার পড়ুয়া ও প্রফেশনাল অংশ নেন। বাংলার স্থাপত্য ঐতিহ্য, পরিবেশ সচেতনতা এবং বর্তমান সময়ের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে আধুনিক স্থাপত্যের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় এই সম্মেলনে। পাশাপাশি পড়ুয়াদের নিজেদের মধ্যে ভাবনা বিনিময়, এক্সপার্টদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং কলেজের পাঠ্যক্রমের বাইরের নানা বিষয় সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়েছিল এই কনভেনশনে।

OMTECH 2026-

প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউট। পড়ুয়াদের নতুন ভাবনাকে বাস্তবসম্মত রূপ দেওয়ার সুযোগ করে দিতে আয়োজন করা হয়েছিল ওমটেক ২০২৬ (OMTECH 2026)।

এই অনুষ্ঠানে সিএসই (CSE), আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence), মেশিন লার্নিং (Machine Learning) এবং বিসিএ (BCA) বিভাগের পড়ুয়ারা অংশ নেন। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence), মেশিন লার্নিং (Machine Learning), ইন্টারনেট অব থিঙ্গস (Internet of Things), সাইবার সিকিউরিটি (Cybersecurity), ব্লকচেইন (Blockchain), স্মার্ট হেলথকেয়ার (Smart Healthcare) এবং ইন্টেলিজেন্ট সিস্টেম (Intelligent Systems-এর মতো আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন তাঁরা।

ওমটেক (OMTECH)-এর অংশ হিসেবে আয়োজিত হয় একটি হ্যাকাথনও। সেখানে পড়ুয়ারা বাস্তব সমস্যার সমাধান খোঁজেন এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সমাধান তৈরি করে, তা উপস্থাপন করেন।

গবেষণা এবং বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় করে পড়াশোনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে  ওমদয়াল গ্রুপ। এর জন্য আয়োজন করা হয়েছিল ন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইন্টিগ্রেটেড অ্যাপ্রোচেস টু সাস্টেনেবল ইনোভেশন  (National Conference on Integrated Approaches to Sustainable Innovation)।

দু’দিনের এই জাতীয় সম্মেলনে শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিল্পক্ষেত্রের বিভিন্ন এক্সপার্ট এবং পড়ুয়ারা অংশ নেন। আধুনিক প্রযুক্তি কীভাবে টেকসই এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী বিশ্ব গড়ে তুলতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচ্য বিষয়গুলির মধ্যে ছিল এআই (AI) ও স্মার্ট সিটিস (Smart Cities), সাস্টেনেবল আর্কিটেকচার (Sustainable Architecture), পুনর্নবিকরণ শক্তি (Renewable Energy), ডেটা সায়েন্স (Data Science) এবং রেসপন্সিবল ইনোভেশন (Responsible Innovation)। এই জাতীয় সম্মেলনে গবেষণা, বিভিন্ন ক্ষেত্রের মধ্যে সহযোগিতা এবং বর্তমান সময়ের সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধানে জ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই সম্মেলনে উপস্থাপিত ৪৫টি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জার্নাল  ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল ফর রিসার্চ ইন অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি (IJRASET)-তে প্রকাশিত হয়েছে।

শিল্পক্ষেত্রের চাহিদার সঙ্গে পড়াশোনার যোগসূত্র-

শুধু নিয়মিত পড়াশোনা নয়, বর্তমান শিল্পক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতার সঙ্গে পড়ুয়াদের পরিচয় করাতেও একাধিক কর্মসূচি আয়োজন করেছে ওমদয়াল গ্রুপ। এর মধ্যে রয়েছে সাইবার সিকিউরিটি (Cybersecurity), এআই অ্যান্ড হিউম্যান গাইডেন্স (AI and Human Guidance), গ্রিন এআই ইন হেলথকেয়ার (Green AI in Healthcare), ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারস (Electrical Engineers)-এর জন্য  এন্ট্রেপ্রনিউরশিপ অপাচুরিটিস (Entrepreneurship Opportunities)-এর মতো বিষয়ে সেমিনার। পাশাপাশি অ্যাডভান্সড এক্সেল (Advanced Excel) নিয়েও কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছিল। এই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে পড়ুয়ারা নতুন প্রযুক্তি, পেশাগত দক্ষতা এবং নিজেদের পড়াশোনাকে বাস্তব ক্ষেত্রে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে সম্পর্কে ধারণা পাচ্ছেন।

NASA India-র জাতীয় সভাপতি ওমদয়ালের পড়ুয়া-

ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউটের জন্য আরও একটি বড় সাফল্য এসেছে পড়ুয়াদের নেতৃত্বের ক্ষেত্রে। আর্কিটেকচার (Architecture) বিভাগের পড়ুয়া অনুভব রায় সরকার নাসা ইন্ডিয়া (NASA India)-র ৬৯তম কাউন্সিল(২০২৬–২০২৭)-এর জাতীয় প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জাতীয় স্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে ওমদয়াল গ্রুপের পড়ুয়ার নির্বাচিত হওয়া প্রতিষ্ঠানের কাছে বড় সম্মানের। একই সঙ্গে এটি পড়ুয়াদের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা এবং জাতীয় স্তরের পেশাগত প্ল্যাটফর্মে নিজেদের মেলে ধরার সুযোগেরও প্রমাণ।

আর্কিটেকচার বিভাগের ফাইনাল ইয়ারের পড়ুয়া সোহিনী ঘোষও পেয়েছেন নাসা ইন্ডিয়া থিসিস গ্রান্ট (NASA India Thesis Grant)। তাঁর থিসিসের বিষয়টির গুরুত্বের ভিত্তিতে এই নির্বাচন করা হয়েছে। এই গ্রান্টের মাধ্যমে তাঁর গবেষণা, সাইট স্টাডি এবং তথ্য সংগ্রহ ও নথিভুক্ত করার কাজ আরও শক্তিশালী হবে। ফলে তাঁর গবেষণার শিক্ষাগত জ্ঞানের পরিধি আরও বাড়বে।

জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতাতেও সাফল্য পেয়েছে ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউট। এএনসি (ANC)-তে এলআইকে ট্রফি (LIK Trophy)-তে স্পেশাল মেনশন ১ (Special Mention 1) অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর পাশাপাশি সারা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে ওমদয়াল গ্রুপ। জাতীয় স্তরের এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নিজেদের সৃজনশীলতা, দক্ষতা এবং নতুন ধরনের ভাবনা তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছে প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারা।

উল্লাস ২০২৬ (Ullash 2026)-এ মাতল ক্যাম্পাস-

পড়াশোনা ও প্রতিযোগিতার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও পিছিয়ে নেই ওমদয়াল গ্রুপ। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক সাংস্কৃতিক উৎসব উল্লাস ২০২৬ (Ullash 2026)। গান, নাচ, বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-সহ নানা আয়োজনে অংশ নেন পড়ুয়ারা। এই উৎসব পড়ুয়াদের প্রতিভা ও উৎসাহ প্রকাশের পাশাপাশি তাঁদের মধ্যে দলগত কাজ, সৃজনশীলতা এবং ক্যাম্পাসের সঙ্গে যোগাযোগ আরও দৃঢ় করেছে।

পড়াশোনার বাইরে বাস্তব অভিজ্ঞতার উপর জোর-

সব মিলিয়ে ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউশন শুধু ক্লাসরুমের পড়াশোনার মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছে না। তার পাশাপাশি গবেষণা, প্রযুক্তি, পেশাগত প্রশিক্ষণ, জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা, নেতৃত্বের সুযোগ এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড—সবকিছুকেই শিক্ষার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।  আর্কিটেকচার কনভেনশন (Architecture convention) থেকে টেকনোলজি হ্যাকাথন (Technology Hackathon), জাতীয় গবেষণা সম্মেলন থেকে সাংস্কৃতিক উৎসব—প্রতিটি উদ্যোগের লক্ষ্য পড়ুয়াদের বাস্তব অভিজ্ঞতা দেওয়া এবং ভবিষ্যতের কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা।

ওমদয়াল গ্রুপের সাম্প্রতিক সাফল্যগুলি এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার ছবি তুলে ধরছে, যেখানে পড়ুয়ারা শিখছেন, নতুন কিছু তৈরি করছেন, গবেষণা করছেন, প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন, নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং নিজেদের প্রতিভা প্রকাশ করছে। পরিবর্তনশীল কর্মজগতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পড়ুয়াদের তৈরি করতে এই অভিজ্ঞতাগুলিই ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

সকলেই চান সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে। এই ভবিষ্যৎ গড়তে তাদের জন্য সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেছে নেওয়া জরুরি। আর এখানেই সেরা অপশন হল ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউট। বিগত কয়েক মাসে পড়াশোনা থেকে শুরু করে গবেষণা, প্রযুক্তি এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে একের পর এক সাফল্য পেয়েছে ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউট (OmDayal Group of Institutions)। জাতীয় স্তরের বিভিন্ন শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান আয়োজন থেকে শুরু করে পড়ুয়াদের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের সুযোগ করে দেওয়া—সব ক্ষেত্রেই নিজেদের পরিধি বাড়িয়েছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ক্লাসরুমের পড়াশোনার বাইরেও বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করাই এখন ওমদয়াল গ্রুপের অন্যতম লক্ষ্য।

৬৮তম  জ়োনাল নাসা কনভেনশন আয়োজন-

ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউটে এই বছরের অন্যতম বড় আকর্ষণ ছিল ৬৮তম  জ়োনাল নাসা কনভেনশন (68th Zonal NASA Convention – Zone 4)। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওমদয়াল কলেজ অব আর্কিটেকচার (OmDayal College of Architecture)-এ এই তিন দিনের অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

“সমন্বয়: যুগের মিলন’ (Samanvaya: Bridging the Eras) ছিল এবারের সম্মেলনের মূল থিম। অনুষ্ঠানে ৪০০-রও বেশি তরুণ আর্কিটেকচার পড়ুয়া ও প্রফেশনাল অংশ নেন। বাংলার স্থাপত্য ঐতিহ্য, পরিবেশ সচেতনতা এবং বর্তমান সময়ের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে আধুনিক স্থাপত্যের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় এই সম্মেলনে। পাশাপাশি পড়ুয়াদের নিজেদের মধ্যে ভাবনা বিনিময়, এক্সপার্টদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং কলেজের পাঠ্যক্রমের বাইরের নানা বিষয় সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়েছিল এই কনভেনশনে।

OMTECH 2026-

প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউট। পড়ুয়াদের নতুন ভাবনাকে বাস্তবসম্মত রূপ দেওয়ার সুযোগ করে দিতে আয়োজন করা হয়েছিল ওমটেক ২০২৬ (OMTECH 2026)।

এই অনুষ্ঠানে সিএসই (CSE), আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence), মেশিন লার্নিং (Machine Learning) এবং বিসিএ (BCA) বিভাগের পড়ুয়ারা অংশ নেন। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence), মেশিন লার্নিং (Machine Learning), ইন্টারনেট অব থিঙ্গস (Internet of Things), সাইবার সিকিউরিটি (Cybersecurity), ব্লকচেইন (Blockchain), স্মার্ট হেলথকেয়ার (Smart Healthcare) এবং ইন্টেলিজেন্ট সিস্টেম (Intelligent Systems-এর মতো আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন তাঁরা।

ওমটেক (OMTECH)-এর অংশ হিসেবে আয়োজিত হয় একটি হ্যাকাথনও। সেখানে পড়ুয়ারা বাস্তব সমস্যার সমাধান খোঁজেন এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সমাধান তৈরি করে, তা উপস্থাপন করেন।

গবেষণা এবং বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় করে পড়াশোনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে  ওমদয়াল গ্রুপ। এর জন্য আয়োজন করা হয়েছিল ন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইন্টিগ্রেটেড অ্যাপ্রোচেস টু সাস্টেনেবল ইনোভেশন  (National Conference on Integrated Approaches to Sustainable Innovation)।

দু’দিনের এই জাতীয় সম্মেলনে শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিল্পক্ষেত্রের বিভিন্ন এক্সপার্ট এবং পড়ুয়ারা অংশ নেন। আধুনিক প্রযুক্তি কীভাবে টেকসই এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী বিশ্ব গড়ে তুলতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচ্য বিষয়গুলির মধ্যে ছিল এআই (AI) ও স্মার্ট সিটিস (Smart Cities), সাস্টেনেবল আর্কিটেকচার (Sustainable Architecture), পুনর্নবিকরণ শক্তি (Renewable Energy), ডেটা সায়েন্স (Data Science) এবং রেসপন্সিবল ইনোভেশন (Responsible Innovation)। এই জাতীয় সম্মেলনে গবেষণা, বিভিন্ন ক্ষেত্রের মধ্যে সহযোগিতা এবং বর্তমান সময়ের সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধানে জ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই সম্মেলনে উপস্থাপিত ৪৫টি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জার্নাল  ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল ফর রিসার্চ ইন অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি (IJRASET)-তে প্রকাশিত হয়েছে।

শিল্পক্ষেত্রের চাহিদার সঙ্গে পড়াশোনার যোগসূত্র-

শুধু নিয়মিত পড়াশোনা নয়, বর্তমান শিল্পক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতার সঙ্গে পড়ুয়াদের পরিচয় করাতেও একাধিক কর্মসূচি আয়োজন করেছে ওমদয়াল গ্রুপ। এর মধ্যে রয়েছে সাইবার সিকিউরিটি (Cybersecurity), এআই অ্যান্ড হিউম্যান গাইডেন্স (AI and Human Guidance), গ্রিন এআই ইন হেলথকেয়ার (Green AI in Healthcare), ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারস (Electrical Engineers)-এর জন্য  এন্ট্রেপ্রনিউরশিপ অপাচুরিটিস (Entrepreneurship Opportunities)-এর মতো বিষয়ে সেমিনার। পাশাপাশি অ্যাডভান্সড এক্সেল (Advanced Excel) নিয়েও কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছিল। এই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে পড়ুয়ারা নতুন প্রযুক্তি, পেশাগত দক্ষতা এবং নিজেদের পড়াশোনাকে বাস্তব ক্ষেত্রে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে সম্পর্কে ধারণা পাচ্ছেন।

NASA India-র জাতীয় সভাপতি ওমদয়ালের পড়ুয়া-

ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউটের জন্য আরও একটি বড় সাফল্য এসেছে পড়ুয়াদের নেতৃত্বের ক্ষেত্রে। আর্কিটেকচার (Architecture) বিভাগের পড়ুয়া অনুভব রায় সরকার নাসা ইন্ডিয়া (NASA India)-র ৬৯তম কাউন্সিল(২০২৬–২০২৭)-এর জাতীয় প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জাতীয় স্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে ওমদয়াল গ্রুপের পড়ুয়ার নির্বাচিত হওয়া প্রতিষ্ঠানের কাছে বড় সম্মানের। একই সঙ্গে এটি পড়ুয়াদের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা এবং জাতীয় স্তরের পেশাগত প্ল্যাটফর্মে নিজেদের মেলে ধরার সুযোগেরও প্রমাণ।

আর্কিটেকচার বিভাগের ফাইনাল ইয়ারের পড়ুয়া সোহিনী ঘোষও পেয়েছেন নাসা ইন্ডিয়া থিসিস গ্রান্ট (NASA India Thesis Grant)। তাঁর থিসিসের বিষয়টির গুরুত্বের ভিত্তিতে এই নির্বাচন করা হয়েছে। এই গ্রান্টের মাধ্যমে তাঁর গবেষণা, সাইট স্টাডি এবং তথ্য সংগ্রহ ও নথিভুক্ত করার কাজ আরও শক্তিশালী হবে। ফলে তাঁর গবেষণার শিক্ষাগত জ্ঞানের পরিধি আরও বাড়বে।

জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতাতেও সাফল্য পেয়েছে ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউট। এএনসি (ANC)-তে এলআইকে ট্রফি (LIK Trophy)-তে স্পেশাল মেনশন ১ (Special Mention 1) অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর পাশাপাশি সারা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে ওমদয়াল গ্রুপ। জাতীয় স্তরের এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নিজেদের সৃজনশীলতা, দক্ষতা এবং নতুন ধরনের ভাবনা তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছে প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারা।

উল্লাস ২০২৬ (Ullash 2026)-এ মাতল ক্যাম্পাস-

পড়াশোনা ও প্রতিযোগিতার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও পিছিয়ে নেই ওমদয়াল গ্রুপ। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক সাংস্কৃতিক উৎসব উল্লাস ২০২৬ (Ullash 2026)। গান, নাচ, বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-সহ নানা আয়োজনে অংশ নেন পড়ুয়ারা। এই উৎসব পড়ুয়াদের প্রতিভা ও উৎসাহ প্রকাশের পাশাপাশি তাঁদের মধ্যে দলগত কাজ, সৃজনশীলতা এবং ক্যাম্পাসের সঙ্গে যোগাযোগ আরও দৃঢ় করেছে।

পড়াশোনার বাইরে বাস্তব অভিজ্ঞতার উপর জোর-

সব মিলিয়ে ওমদয়াল গ্রুপ অব ইন্সটিটিউশন শুধু ক্লাসরুমের পড়াশোনার মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছে না। তার পাশাপাশি গবেষণা, প্রযুক্তি, পেশাগত প্রশিক্ষণ, জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা, নেতৃত্বের সুযোগ এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড—সবকিছুকেই শিক্ষার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।  আর্কিটেকচার কনভেনশন (Architecture convention) থেকে টেকনোলজি হ্যাকাথন (Technology Hackathon), জাতীয় গবেষণা সম্মেলন থেকে সাংস্কৃতিক উৎসব—প্রতিটি উদ্যোগের লক্ষ্য পড়ুয়াদের বাস্তব অভিজ্ঞতা দেওয়া এবং ভবিষ্যতের কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা।

ওমদয়াল গ্রুপের সাম্প্রতিক সাফল্যগুলি এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার ছবি তুলে ধরছে, যেখানে পড়ুয়ারা শিখছেন, নতুন কিছু তৈরি করছেন, গবেষণা করছেন, প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন, নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং নিজেদের প্রতিভা প্রকাশ করছে। পরিবর্তনশীল কর্মজগতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পড়ুয়াদের তৈরি করতে এই অভিজ্ঞতাগুলিই ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us