
সিরিজ আগেই নিশ্চিত করে নিয়েছে ভারত। এ বার লক্ষ্য ৪-১। সিরিজ শুরু হয়েছিল হার দিয়ে। শেষটা জয় দিয়ে করা যেন সময়ের অপেক্ষা। এখান থেকে ইংল্যান্ডের ৩-২ করতে হলে মিরাকল প্রয়োজন। ভারতের বোলিং-ব্যাটিং নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। ইংল্যান্ড টিমের কাজ কঠিন করেছে নিজেদের ফিল্ডিং। গ্রাউন্ড ফিল্ডিংয়ে একঝাঁক মিস। ভারতীয় ব্যাটারদের তৈরি করা চাপে ইংল্যান্ড ফিল্ডিং ফ্লপ। দ্বিতীয় দিনের শেষে কী পরিস্থিতি? বিস্তারিত জেনে নিন TV9 Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
টেস্ট ক্রিকেটে দিনের প্রথম সেশনে একটিও উইকেট না হারানো। এ যেন অবিশ্বাস্য ব্যাপার। ধরমশালায় সেটাই হয়েছে। রোহিত শর্মা-শুভমন গিল জুটি দিনের খেলা শুরু করে। লাঞ্চ অবধি কোনও উইকেট হারায়নি ভারত। লাঞ্চের পরই দুটো ম্যাজিক ডেলিভারি। বেন স্টোকস শেষ কবে বোলিং করেছিলেন! সম্ভবত অ্যাসেজ সিরিজে। এই সফরে প্র্যাক্টিসে বোলিং করেছেন। ম্যাচে তাঁকে কবে বোলিংয়ে দেখা যাবে, নিশ্চয়তা ছিল না। অবশেষে বোলিংয়ে বেন স্টোকস।
লাঞ্চের পরই চমক। বোলিংয়ে আসেন ইংল্যান্ড ক্যাপ্টেন বেন স্টোকস। ক্রিজে ভারতের দুই সেঞ্চুরিয়ন রোহিত শর্মা ও শুভমন গিল। স্ট্রাইকে ছিলেন রোহিত। দীর্ঘদিন পর বোলিংয়ে শুরু করলেন রোহিতের স্টাম্প ছিটকে। পরের ওভারে জিমি অ্যান্ডারসন বোল্ড করেন শুভমন গিলকে। জোড়া উইকেট হারিয়ে সাময়িক অস্বস্তিতে পড়ে ভারত। অভিষেককারী দেবদত্ত পাড়িক্কাল, সরফরাজ খান হাফসেঞ্চুরি করেন। ভারতের লিড ক্রমশ বাড়তে থাকে। যদিও ধ্রুব জুরেল, জাডেজা আউট হতে মনে হয়েছিল দ্রুতই গুটিয়ে যাবে ভারতের ইনিংস।
বল হাতে কামাল করেছেন কুলদীপ যাদব। নিজের প্রিয় মাঠে ব্যাট হাতেও ভরসা দিলেন। জসপ্রীত বুমরার সঙ্গে অনবদ্য একটা জুটি গড়েন কুলদীপ। লিড যত বাড়ানো যায়, চেষ্টা সেটাই। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতকে আর ব্যাটিং করতে হবে কিনা নিশ্চিত নয়। দলীয় ৪২৮ রানে অষ্টম উইকেট হারায় ভারত। কুলদীপ-বুমরার সৌজন্যে দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারতের স্কোর ৮ উইকেটে ৪৭৩। ইতিমধ্যেই লিড ২৫৫ রানের। এখনও ২ উইকেট রয়েছে ভারতের। দিনের খেলার কয়েক বল বাকি। স্লিপে কুলদীপের ক্যাচ ফেলেন স্টোকস। ২৩ রানে ছিলেন। পরের বলেই বাউন্ডারি মারেন কুলদীপ। স্টোকসের অস্বস্তি বাড়ে। কুলদীপ ২৭ এবং বুমরা ১৯ রানে ক্রিজে।