
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে আজও ডাবল হেডার। দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি রাজস্থান রয়্যালস ও লখনউ সুপার জায়ান্টস। দু-দলের ক্যাপ্টেনের লক্ষ্য বিশ্বকাপ। এর জন্য প্রতিটা ম্যাচই সমান গুরুত্বপূর্ণ। রয়েছে চোট চিন্তাও। লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। গত আইপিএলে গুরুতর চোট পেয়েছিলেন রাহুল। এরপর দীর্ঘ সময় ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন। এশিয়া কাপে জাতীয় দলে ফেরেন। বিশ্বকাপেও খেলেছেন। সবই ঠিক চলছিল। ঘরের মাঠে ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজে ফের চোট।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে প্রথম টেস্টে খেলেছিলেন রাহুল। প্রাথমিক ভাবে এক ম্যাচের জন্যই অনিশ্চিত ছিলেন। পুরো সিরিজেই খেলতে পারেননি রাহুল। আইপিএলে ফিরছেন। কতটা ফিট ম্যাচে নামলে বোঝা যাবে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে জাতীয় দলে তাঁর জায়গা পাকা নয়। জুনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। লোকেশ রাহুল সুযোগ পাবেনই, নিশ্চয়তা নেই। আইপিএলে ধারাবাহিক ভালো পারফর্ম করতে পারলে, নির্বাচকরা ভাবতে বাধ্য হবেন ভাবতে।
বিশ্বকাপ লক্ষ্য রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনেরও। জাতীয় দলে তাঁর যাওয়া আসা লেগেই থাকে। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুযোগ ক্ষীণ। কিপার হিসেবে সুযোগ না হলেও স্পেশালিস্ট ব্যাটার হিসেবে বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়াই টার্গেট সঞ্জুর। কতটা রান করলে সুযোগ পেতে পারেন, বলা কঠিন। রাজস্থান রয়্যালসে সঞ্জু নন, নজর থাকবে জ্যাজবলে। বলা ভালো রাজস্থান বনাম লখনউ ম্যাচের প্রধান আকর্ষণই তাই।
তিন ফরম্যাটেই জাতীয় দলে ভরসা এখন যশস্বী জয়সওয়াল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ৭১২ রান করেছেন। ভারতের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে ৭০০-র অধিক রানের রেকর্ড যশস্বীর। সিরিজ শুরুর আগে ইংল্যান্ডের বাজ়বল নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়েছে। বাজ়বলের দেখা মেলেনি। ভারত ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জেতে ভারত। যশস্বী জয়সওয়াল দুটো ডাবল সেঞ্চুরিও মেরেছেন।
আইপিএলের গত সংস্করণে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছিলেন যশস্বী। এরপরই জাতীয় দলে সুযোগ। দেশের হয়ে ধারাবাহিক ভালো পারফর্ম করছেন। এ বারের আইপিএলে বাড়তি নজর থাকবে যশস্বীর দিকে। প্রত্যাশার চাপও।