
ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে আলোচনায় শুধুই ছিল বাজ়বল। এখন আলোচনায় জ্যাজবল! বলা যেতে পারে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ জিতেছে ভারত। রাঁচিতে চতুর্থ টেস্টেই সিরিজ নিশ্চিত হয়েছিল। ধরমশালায় পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট জিতে ৪-১ ব্যবধান করেছে ভারত। অসীম আত্মবিশ্বাস নিয়ে সিরিজ শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। হায়দরাবাদে প্রথম টেস্ট জিতে আত্মবিশ্বাস আরও বাড়ে। সিরিজ এগোতেই হাওয়া সেই আত্মবিশ্বাস। ধরমশালায় ইনিংসে জয় ভারতের। তারপরই বাজ়বল নিয়ে উত্তরসূরিদের খোঁচা ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক নাসের হোসেনের। বিস্তারিত জেনে নিন TV9 Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
একঝাঁক তারকা ক্রিকেটারকে পায়নি ভারতীয় দল। পুরো সিরিজেই ছিলেন না বিরাট কোহলি। লোকেশ রাহুলও ছিটকে গিয়েছিলেন। অধিনায়ক রোহিত শর্মা, জসপ্রীত বুমরা, অশ্বিনদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তরুণ ক্রিকেটাররাই সিরিজ জিতিয়েছে। সিরিজে সবচেয়ে বেশি রান যশস্বী জয়সওয়ালের। ভারতের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজে ৭০০ কিংবা তার বেশি রানের নজির গড়েছেন যশস্বী। তাঁর নাম এবং খেলার স্টাইল থেকেই জ্যাজবল।
ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক নাসের হোসেন বলছেন, ‘শেষ ম্যাচটা পুরো একতরফা। টস জিতে প্রথম দিন সকালে ১০০-১ স্কোরে ছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকে তিন দিনেরও কম সময়ে হার। এটাকে ঠিক কী বলা যায়, জানা নেই। বাজ়বল নিয়ে প্রচুর কথা হয়েছে। আর এই কারণেই আমরা এ ভাবে হারলাম। বাজ়বল বলে কিছু হয় না। ভারতীয় পরিবেশে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স পার্থক্য গড়ে দেয়। জিমি অ্যান্ডারসন ৭০০ টেস্ট উইকেট নিয়েছে, রবিচন্দ্রন অশ্বিন কেরিয়ারের শততম টেস্টে ৯ উইকেট। কারণ, ওরা সবসময়ই নিজেদের খেলায় উন্নতি করতে চায়।’
ভারত সফরের আগে বোলিং রান আপে পরিবর্তন করেছিলেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি পেসার জিমি অ্যান্ডারসন। ভারতের মাটিতে সাফল্য পাওয়ার জন্যই বোলিংয়ে এই রদবদল। তাঁর পরিকল্পনা সফল। বাকিরা পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেদের বদলাতে পারেননি বলেই মনে করেন নাসের।