
ঘরোয়া ক্রিকেটে একটা করে দুর্দান্ত মরসুম। আর হতাশা। এতদিন এই ছিল সরফরাজ খানের প্রাপ্তি। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড সিরিজে পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্সের সৌজন্যে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন। অভিষেক টেস্টেই হয়তো সেঞ্চুরি হতে পারত। ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে ফেরেন। দুই ইনিংসেই হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। এই সিরিজে ভারতের অন্যতম প্রাপ্তি সরফরাজ। যদিও তাঁর শট সিলেকশন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আর এই নিয়েই কিছুটা যেন অস্বস্তিতে ছিলেন সরফরাজ। বিস্তারিত জেনে নিন TV9 Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
ধরমশালা টেস্টে ইনিংস ও বিশাল ব্যবধানে জিতেছে ভারত। রাঁচি টেস্টেই সিরিজ নিশ্চিত করেছিল ভারতীয় দল। ধরমশালায় লক্ষ্য ছিল ৪-১ ব্যবধান করা। সেই লক্ষ্যে সফল ভারত। যদিও মিডল ও লোয়ার অর্ডারের ব্যাটিং কিছুটা হলেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। প্রত্যেকেই যেন তাড়াহুড়োয় ছিলেন। এমনভাবেই শট খেলছিলেন। অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং তিনে নামা শুভমন গিলের সেঞ্চুরিতে ভারত একটা ভালো জায়গায় পৌঁছেছিল। মিডল অর্ডারের কাছে সুযোগ ছিল নিজেদের মতো বড় ইনিংস খেলার। সেই সুযোগ মিস করেন সরফরাজ। অপ্রয়োজনীয় শট খেলে আউট হয়েছিলেন।
তরুণ প্লেয়ার সরফরাজের শট বাছাইয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকর। বিশ্ব ক্রিকেটের আর এক কিংবদন্তি ডন ব্র্যাডম্যানের উক্তি টেনে সরফরাজকে পরামর্শ দিয়েছিলেন। গাভাসকরকে কিংবদন্তি ব্র্যাডম্যান বলেছিলেন, ‘২০০-তেও ব্যাটিং করলেও আত্মতুষ্ট হওয়া উচিত নয়।’ সরফরাজের শট বাছাই নিয়ে সে কারণেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন গাভাসকর।
আরব আমির শাহির একটি সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, দুবাইয়ের এক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, সুনীল গাভাসকরের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন সরফরাজ। দুবাইয়ের সেই ব্যবসায়ী বলেন, ‘সুনীল গাভাসকরের সঙ্গে সরফরাজের অনেকক্ষণ কথা হয়েছিল। এরপরই ও বাজে শট খেলে আউট হয়। পরদিন সরফরাজের সঙ্গে আমার দেখা হতেই বলে-স্যার প্লিজ, আমার হয়ে গাভাসকর স্যারকে একটু বলে দেবেন, আমি ভুল করেছি, এই ভুল আর হবে না।’