
টানা ব্যর্থতার জেরে ইগর স্টিমাচকে ছাটাই করেছে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। দেশের মাটিতে কয়েকটি ট্রফি জিতলেও বিদেশে খেলতে গেলেই নানা অজুহাত। সারাক্ষণ শুধু ভারতীয় ফুটবলে খুঁত খুঁজে বেড়াতেন। অথচ তার পরিবর্তনে সক্রিয় হননি। নানা বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিলেও পূরণে ব্যর্থ। স্বাভাবিক ভাবেই ইগর স্টিমাচকে বয়ে বেড়াতে রাজী ছিল না সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। চাকরি যেতেই নিজে থেকে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে ডেকেছিলেন ইগর স্টিমাচ। সেখানে ভারতীয় ফুটবল এবং সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থাকে নিয়ে নানা অভিযোগ করেন। যদিও সাংবাদিকদের অনেক প্রশ্নেরই উত্তর এড়িয়ে গিয়েছেন ইগর স্টিমাচ। প্রকাশ্যে নানা অভিযোগ তোলায় সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থাও বিবৃতি জারি করেই তার জবাব দিল।
সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার তরফে বিবৃতিতে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, ‘স্টিমাচের যে কার্যকলাপ এবং মন্তব্য, তার একমাত্র উদ্দেশ্য সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থাকে বদনাম করা। একজন ব্যক্তি কতটা নীচ মানসিকতার হলে এমনটা করতে পারে, এ যেন তারই উদাহরণ।’ শুধু মাত্র সাংবাদিক সম্মেলনেই নয়, নানা ভাবেই অভিযোগের পাহাড় তুলে ধরেছেন স্টিমাচ। তাঁর অন্যতম দাবি ছিল, সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার কর্তাদের সঙ্গে কথা বলারই অনুমতি ছিল না!
স্টিমাচ দাবি করেছিলেন, ২০০ দিনের বেশি জিপিএস সরঞ্জাম থাকতোই না। জিপিএস সরঞ্জাম না থাকার বিষয়টি AIFF স্বীকার করলেও সেটি মাত্র ৫০ দিনের মতো, পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে বিবৃতিতে। এটা যে ভুল ব্যাখ্যা করেছেন স্টিমাচ, সেটাই জানিয়েছে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। সাপোর্ট স্টাফ বাছাই নিয়েও নানা অভিযোগ ছিল স্টিমাচের। সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা বলছে, স্টিমাচ যখন যাঁকে, যা চেয়েছে সবই দেওয়া হয়েছে। এখন ঝুরি ঝুরি অভিযোগ তুলছেন। কিন্তু সমস্ত সুযোগ সুবিধা দেওয়া সত্ত্বেও কোনও রেজাল্ট দিতে পারেননি। এমনকি, অনেক প্লেয়ারই স্টিমাচের কোচিং স্টাইল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বলেও জানিয়েছে ফেডারেশন।