
কলকাতা: দুপুরে ব্রিগেড। রাতে ডার্বি। দুপুরে যাই হোক, রাতে? ইলিশ না চিংড়ি? পাতে কী পড়বে? জোর টক্কর। ফুটবল আবেগের কাছে সব কিছুই তুচ্ছ। রবি রাতে বাঙালির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। নির্বাচনী আবহে রাজ্য জুড়ে এখন ভোটের হাওয়া। শাসক দল রবিবার ব্রিগেডের ডাক দিয়েছে। ডার্বির সূচি প্রকাশের পরও কেন ওই দিনই ব্রিগেড বাছতে হল? এ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
একটা সময় বড় ম্যাচ কলকাতা থেকে সরে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছিল। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী সব জেনেও কেন ডার্বির দিন ব্রিগেড করা নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি? প্রশ্ন তুলেছিল রাজ্যের বিরোধী দলগুলো। সব জট কেটে রবিবার এই শহরেই হচ্ছে ডার্বি। রাত সাড়ে আটটা থেকে শুরু ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান হাইভোল্টেজ ম্যাচ। অতিরিক্ত বাস এবং মেট্রো পরিষেবার জন্য আবেদন জানিয়েছে আয়োজক ইস্টবেঙ্গল।
মাঠে বল গড়ানোর আগে ডার্বি শুরু হয়ে গিয়েছে। টিকিটের দাম নিয়ে কাজিয়া তো আছেই। নিজেদের সমর্থকদের জন্য টিকিটের দামে ছাড় দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। অন্যদিকে মোহনবাগান সমর্থকরা বেশি দামে টিকিট কেটেই মাঠে ঢুকতে চান। শনিবার সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে বিকাল- যুবভারতীর টিকিট কাউন্টারে ছবিটাই বলে দিচ্ছে, বাঙালির ফুটবল আবেগের কাছে ব্রিগেড কিছুই নয়। দুই প্রধানের সমর্থকরা তো বলছেন যে কোনও রাজনৈতিক সমাবেশকেই দশ গোল দিতে পারে ফুটবল আবেগ।
দূর দূরান্ত থেকে এসেছেন অনেকে। টিকিটের কাউন্টারে ভিড় জমিয়েছে সবাই। সমর্থকরা বলছেন, ‘ব্রিগেড দুপুরে। আর ফুটবল সমর্থকরা মাঠে ঠিক চলে আসবে। ইস্টবেঙ্গল আর মোহনবাগান বাঙালির আবেগ। বড় ম্যাচে কেউ বাড়িতে থাকে নাকি! আর যত রাতেই ম্যাচ হোক, বাড়ি ঠিক সবাই পৌঁছে যাবে। প্রয়োজনে সারারাত স্টেডিয়ামেই থেকে যাব। তবু বড় ম্যাচ মিস করা চলবে না।’