East Bengal: দুরন্ত গতি, খেলতে পারেন ভিন্ন পজিশনে; দীর্ঘ চুক্তিতে ইস্টবেঙ্গলে তরুণ ফুটবলার
East Bengal Transfer News: ভাবনাই ভবিষ্যৎ কিংবা ভবিষ্যতের ভাবনা। বিদেশি ফুটবলারের পাশাপাশি দেশীয় প্রতিভায় নজর ইস্টবেঙ্গলের। টিম হিসেবে ভালো পারফর্ম করতে হলে ঘরোয়া ফুটবলারদের ভরসাযোগ্য পারফরম্যান্স চাই। এমন ফুটবলারকে টার্গেট করা হচ্ছে, যাতে দীর্ঘ সময় ইস্টবেঙ্গলকে ভালো সার্ভিস দিতে পারেন। সেই ভাবনা থেকেই এক মিজো ফুটবলারকে তিন বছরের চুক্তিতে সই করাল ইস্টবেঙ্গল। ভারতীয় দলের অনূর্ধ্ব ২৩ ফুটবলার মার্ক জোথানপুইয়া।

ইন্ডিয়ান সুপার লিগে বয়স বাড়ছে, পারফরম্যান্সেও উন্নতি হচ্ছে ইস্টবেঙ্গলের। বিশেষ করে বলতে হয় গত মরসুমের কথা। আইএসএলে যোগ দেওয়ার পর থেকে সেরা পারফরম্যান্স ছিল গত মরসুমেই। এ ছাড়া অন্য টুর্নামেন্ট তো রয়েইছে। মরসুমের শুরুতে ডুরান্ড কাপে অল্পের জন্য রানার্স হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। তবে কলিঙ্গ সুপার কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ডার্বি জিতেছে। এরকম নানা সাফল্যের মাঝেই হতাশা, আইএসএলে হয়তো আরও ভালো পারফর্ম করা যেত। মরসুমের মাঝ পথে দুই নতুন বিদেশিকেও সই করানো হয়েছিল। তাতেও লাভ হয়নি। এ বার মরসুমের শুরু থেকেই দল গুছিয়ে নিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল।
ভাবনাই ভবিষ্যৎ কিংবা ভবিষ্যতের ভাবনা। বিদেশি ফুটবলারের পাশাপাশি দেশীয় প্রতিভায় নজর ইস্টবেঙ্গলের। টিম হিসেবে ভালো পারফর্ম করতে হলে ঘরোয়া ফুটবলারদের ভরসাযোগ্য পারফরম্যান্স চাই। এমন ফুটবলারকে টার্গেট করা হচ্ছে, যাতে দীর্ঘ সময় ইস্টবেঙ্গলকে ভালো সার্ভিস দিতে পারেন। সেই ভাবনা থেকেই এক মিজো ফুটবলারকে তিন বছরের চুক্তিতে সই করাল ইস্টবেঙ্গল। ভারতীয় দলের অনূর্ধ্ব ২৩ ফুটবলার মার্ক জোথানপুইয়া।
মূলত মিডফিল্ডার। মাঝমাঠেও খেলতে পারেন মার্ক। দুরন্ত গতি। যা প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে পারে। জোথানপুইয়াকে নেওয়া প্রসঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের হেড কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত বলছেন, ‘মার্ক তরুণ হলেও দুর্দান্ত প্রতিভা। ওর মধ্যে বৈচিত্র রয়েছে। বিভিন্ন পজিশনে ওকে ব্যবহার করার সুযোগ থাকছে। ইন্ডিয়ান সুপার লিগেও খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমার মনে হয়, কেরিয়ারের সঠিক সময়েই ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিচ্ছে।’
মিজোরামের এই ফুটবলার এফসি পুনে সিটি ও হায়দরাবাদ এফসির যুব দলে খেলেছেন। ভালো পারফরম্যান্সের সুবাদেই সিনিয়র দলে প্রোমোশন হয়। গত মরসুমে হায়দরাবাদ এফসির হয়ে ধারাবাহিক খেলেছেন ২২ বছরের এই ফুটবলার। ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিয়ে মার্ক জোথানপুইয়া বলছেন, ‘যে কোনও তরুণ ভারতীয় ফুটবলারেরই স্বপ্ন থাকে ইস্টবেঙ্গলের মতো বড় ক্লাবে খেলার। ভারতীয় ফুটবলের মক্কা কলকাতা। সেখানকার টিমে খেলার সুযোগ পাচ্ছি। এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে। কোচ এবং টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে কৃতজ্ঞ আমার উপর ভরসা রাখার জন্য। লাল-হলুদ জার্সিতে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।’
