
কলকাতা: ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচ হয়ে গিয়েছে ছেলেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এবার মেয়েদের পালা। মঙ্গলবার আইসিসি মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ করেছে। আবার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ মহারণের জন্য প্রস্তুত। এ বারের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ইংল্যান্ডে। ১২ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত। ১২টি দল এ বার আসরে অংশ নেবে, মেয়েদের বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক। আয়োজক ইংল্যান্ড ১২ জুন শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে উদ্বোধনী ম্যাচ খেলবে। ফাইনাল হবে ৫ জুলাই, লর্ডসে।
ভারত ও পাকিস্তান রয়েছে গ্রুপ এ-তে। ভারত-পাক মহারণ হবে ১৪ জুন, এজবাস্টনে। দুই দলের কাছেই এটা প্রথম ম্যাচ। তাদের সঙ্গে আছে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস। গ্রুপ পর্বেই ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচ ঘিরে বিপুল আগ্রহ তৈরি হবে বলে মনে করছে আইসিসি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইসিসি ইভেন্টে দুই দলের ম্যাচ রেকর্ড সংখ্যক দর্শক টেনেছে। মহিলাদের ক্রিকেটও এর ব্যতিক্রম নয়। গ্রুপ ‘বি’-তে রয়েছে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড। ১৩ জুন ওল্ড ট্র্যাফোর্ড আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড অল-ইউরোপীয় ম্যাচের মধ্যে দিয়ে নিজেদের অভিযান শুরু করবে। ২০ জুন হেডিংলে-তে ইংল্যান্ড বনাম স্কটল্যান্ডের ম্যাচ। ইংল্যান্ডের মাটিতে আইসিসি ইভেন্টে দুই দলের প্রথম মুখোমুখি নামবে।
ভারতের ম্যাচ- ১৪ জুন (পাকিস্তান), ১৭ জুন (নেদারল্যান্ডস), ২১ জুন (দক্ষিণ আফ্রিকা), ২৫ জুন (বাংলাদেশ), ২৮ জুন (অস্ট্রেলিয়া)।
বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস গত মাসে নেপালে অনুষ্ঠিত আইসিসি মহিলা টি২০ বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার থেকে মূলপর্বে জায়গা করে নিয়েছে। তারা যোগ দিচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ড, প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড, ২০১৬ সালের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৬ বারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া এবং বর্তমান ওয়ান ডে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ভারতের সঙ্গে।
আইসিসির সিই সংযোগ গুপ্ত সূচি প্রকাশকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “আইসিসি মহিলা টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ সালের সূচি প্রকাশ এই বিশ্বমানের ক্রীড়া ইভেন্টের প্রস্তুতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। মহিলাদের ক্রিকেটে আইসিসির ধারাবাহিক বিনিয়োগ, অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, উচ্চমানের পারফরম্যান্স কাঠামো, ইভেন্ট ও প্রোডাকশন মান, প্রাইজমানি বৃদ্ধি, সম্প্রচার বিস্তার ও বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব—সব মিলিয়ে বিশ্ব জুড়ে ভক্তদের কাছে এই খেলার মর্যাদা ও জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়েছে।”
সংযোগ বলেন, ভারতে অনুষ্ঠিত আইসিসি মহিলা ক্রিকেট ওয়ান ডে বিশ্বকাপ এক নতুন মাত্রা এনে দিয়েছে। রেকর্ড ভেঙেছে, নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছে এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। জুন-জুলাইয়ের এই আসরেও সেই গতি বজায় রাখাই আইসিসির লক্ষ্য।