
ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি (NADA) এই নিয়ে দ্বিতীয় বার নির্বাসন দিল। তিন সপ্তাহ আগে তাঁর নির্বাসন তুলে নেওয়া হয়েছিল। সে সময়, নাডার অ্যান্টি ডিসিপ্লিনারি প্যানেল জানিয়েছিল, যেহেতু তাঁর বিরুদ্ধে চার্জের কোনও নোটিস দেয়নি নাডা, সে কারণে তার নির্বাসন তুলে নেওয়া হয়। এ বার নোটিস সহ নির্বাসন দিল ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি। টোকিও অলিম্পিকের ব্রোঞ্জপদক জয়ী ভারতীয় কুস্তিগিরকে এর আগে ২৩ এপ্রিল নির্বাসন দিয়েছিল নাডা। সোনেপতের এই কুস্তিগির মূত্রের নমুনা দিতে রাজি হননি। সেই অভিযোগেই নির্বাসিত করা হয়েছিল।
প্রভিশনাল সাসপেনশনের বিরুদ্ধে আবেদন করেছিলেন বজরং। তারই ভিত্তিতে নির্বাসন তুলেও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি বদলে গেল দ্রুতই। আজ ফের নির্বাসিত করা হল তাঁকে। ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির তরফে বলা হয়েছে, ‘২০২১ সালের অ্যান্টি ডোপিং নিয়মের ২.৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিয়ম ভাঙার অভিযোগে তাঁকে প্রোভিশনাল সাসপেনশন দেওয়া হয়।’
জুলাইয়ের ১১ তারিখ অবধি বজরংয়ের কাছে সময় রয়েছে। তিনি এই চার্জ মেনে নিতে পারেন, কিংবা শুনানির আবেদন করতে পারেন। এর আগে কোনওদিনই মূত্রের নমুনা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হয়নি। নিয়ম মেনে চলেছেন। বজরংয়ের দাবি ছিল, তাঁকে মেয়াদ উত্তীর্ন কিট দেওয়া হয়েছিল স্যাম্পল সংগ্রহের জন্য। সেই প্রশ্ন তুলে নাডাকে মেইল করলেও জবাব মেলেনি, এমনটাও জানিয়েছিলেন বজরং।