
কলকাতা : সদ্য ম্যাচ তখন শেষ হয়েছে। ২২ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির প্রথম ম্যাচে বাগানের কাছেই ১-০ হার, ফাইনালে উঠে তার বদলা। বাগান কোচের ভুল স্ট্র্যাটেজি, ক্লান্তি – সবকিছু মিলিয়ে যেন শুরু থেকেই পিছিয়ে ছিল সবুজ-মেরুন সেনারা। স্বভাবতই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ছে লাল-হলুদ জনতা। তার মধ্যেই মাঠের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন লাল-হলুদের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার মধ্যেই তাঁকে ফোন করলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। কী কথা হল দুজনের?
সাংবাদিকদের সামনেই সৌরভের ফোন রিসিভ করেন দেবব্রত। ফোনের ওপার থেকে সৌরভ বলে উঠলেন, “তাহলে? সেই তো আমাদের কোচই বাজিমাত করল?” সঙ্গে সঙ্গে খুশি হয়ে যান লাল-হলুদ কর্তাও। তিনি বলেন, “থ্যাঙ্ক ইউ সৌরভ, থ্যাঙ্ক ইউ। তোমার কোচ খারাপ হয় কী করে? যদিও, এই হাবাসের উপর আমার অনেকদিন ধরেই নজর ছিল।” উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে যখন প্রথম আইএসএল শুরু হয়, তখন এই হাবাসই এটিকে (তৎকালীন অ্যাটলেটিকো ডে কলকাতা)র হয়ে কোচিং করিয়ে প্রথম সিজনেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। তারপর এটিকে মোহনবাগান, মোহনবাগান সুপারজায়েন্ট হয়ে অবশেষে লাল-হলুদ ডাগআউট। কিন্তু সৌরভই কি হাবাসের নাম বলেছিলেন দেবব্রতকে? সেই রহস্য রহস্যই থাকল।
রবিবাসরীয় যুবভারতীতে শুরু থেকেই মোহনবাগানকে চাপে রেখেছিলেন হাবাস। মাত্র ২৩ মিনিটের মধ্যেই ৩-০ এগিয়ে যায় লাল-হলুদ। প্রথমার্ধেই স্কোর ছিল ৪-১। দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করেছেন এডমুন্ড। এর ফলে ‘৯৭ সালে ভাইচুং, ‘২২ সালে কিয়ান নাসিরির পর ৩য় ভারতীয় হিসেবে ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করেছেন এই মিজো তরুণ। তার মধ্যেই হাবাস স্তুতিতে যেভাবে মেতে ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা, দেখে আন্দাজ করে নেওয়া যায়, দলের সুসময় ফিরেছে।