
টিভি নাইন হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে গ্লোবাল সামিটের দ্বিতীয় সংস্করণ শুরু হয়েছে। ভারতীয় স্পোর্টস নিয়ে সেশনে আলোচনায় উঠে আসে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ২০৩৬ সালে অলিম্পিক আয়োজনের ভাবনা রয়েছে ভারতে। অলিম্পিকের মতো বিশ্বের সেরা ইভেন্ট আয়োজন ভারতে কতটা সম্ভব? এ নিয়ে ভাবনা থাকতেই পারেন। টিভি নাইন নেটওয়ার্কের এমডি ও সিইও বরুণ দাস এবং কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের সঙ্গে আলোচনায় সেই প্রসঙ্গ নিয়ে পরিষ্কার ধারনা পাওয়া গেল।
এ বছর প্যারিস অলিম্পিক। স্বাভাবিক ভাবেই প্রত্যাশা বেড়েছে। টোকিওর তুলনায় প্যারিসে কি ভারতের পদক সংখ্যা বাড়বে? সরকারের ভূমিকা এবং সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন অনুরাগ ঠাকুর। বলেন, ‘টোকিও অলিম্পিকের সময় কোভিডের কারণে প্রতিটি ক্রীড়াবিদই সমস্যায় পড়েছে। একটা উদাহরণ হিসেবে বলি, মীরাবাঈ চানু চোট পেয়েছিলেন। সেই পরিস্থিতিতেও তাঁকে দ্রুত আমেরিকায় পাঠানো হয়েছিল। ফিট হয়ে টোকিওতে যান। এ ভাবেই সরকার তাঁকে সাহায্য করেছিল। টোকিওতে প্রথম পদকটা এসেছিল মীরাবাঈয়ের সৌজন্যেই। আর কোভিডের কঠিন পরিস্থিতিতেও টোকিওতে রেকর্ড পদক জিতেছিল ভারত। কমনওয়েলথ গেমস, প্য়ারা গেমসেও প্রচুর পদক।’
অনুরাগ ঠাকুর আরও যোগ করেন, ‘এশিয়ান গেমসের সময় যখন বলেছিলাম, ইস বার স পার, অনেকেই ভেবেছিলেন একজন নেতা হিসেবে বলছি। আমরা কিন্তু এশিয়ান গেমসে ১০৭টি পদক জিতেছি। তেমনই প্যারা অ্যাথলিটদের বলেছিলাম, ওদের রেকর্ড ভাঙতে পারবে? ১১১টি পদক জিতেছিল। প্যারিস অলিম্পিকে নিঃসন্দেহে আমরা টোকিওর তুলনায় ভালো পারফর্ম করব এবং অনেক বেশি পদক জিতব।’
এই উদাহরণে তিনি যেন বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, অলিম্পিক আয়োজনের সম্ভাবনা শুধুই কথার কথা নয়। এর নেপথ্যেও পরিকল্পনা রয়েছে। অনুরাগ ঠাকুর বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থার মুম্বই সেশনেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন। ২০৩৬ সালে অলিম্পিক আয়োজনে আমরা মরিয়া। তবে তার আগে ২০২৬ সালে যুব অলিম্পিক আয়োজন করতে চাই। সব দিক বিবেচনা করেই আমরা নিশ্চিত করছি, ভারত সরকার খুবই মরিয়া ভাবে ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনের চেষ্টা করবে।’