Trump vs Putin: ট্রাম্পকে জবাব দিতে ‘শয়তান’-এ শাণ পুতিনের!
ইরান যুদ্ধের আবহেই শক্তি প্রদর্শন করল আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হল ‘ডুমসডে মিসাইল’ নামে পরিচিত মিনিটম্যান–থ্রি ব্যালিস্টিক মিসাইলের। মার্কিন সেনার স্পেস কমান্ড জানিয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ায় এই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয় এবং তা সফল হয়েছে। মিনিটম্যান–থ্রি একটি তৃতীয় প্রজন্মের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (আইসিবিএম)। এর গতি ঘণ্টায় প্রায় ২৫ হাজার কিলোমিটার। এত দ্রুতগতির কারণে দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও অল্প সময়েই আঘাত হানতে পারে এই মিসাইল। সেই কারণেই এর নাম রাখা হয়েছে ‘মিনিটম্যান’। এই মিসাইলের পাল্লা প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার। ফলে আমেরিকার মাটি থেকে বিশ্বের প্রায় যে কোনও অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে এর।
ইরান যুদ্ধের আবহেই শক্তি প্রদর্শন করল আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হল ‘ডুমসডে মিসাইল’ নামে পরিচিত মিনিটম্যান–থ্রি ব্যালিস্টিক মিসাইলের।
মার্কিন সেনার স্পেস কমান্ড জানিয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ায় এই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয় এবং তা সফল হয়েছে। মিনিটম্যান–থ্রি একটি তৃতীয় প্রজন্মের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (আইসিবিএম)। এর গতি ঘণ্টায় প্রায় ২৫ হাজার কিলোমিটার। এত দ্রুতগতির কারণে দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও অল্প সময়েই আঘাত হানতে পারে এই মিসাইল। সেই কারণেই এর নাম রাখা হয়েছে ‘মিনিটম্যান’। এই মিসাইলের পাল্লা প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার। ফলে আমেরিকার মাটি থেকে বিশ্বের প্রায় যে কোনও অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে এর।
মার্কিন বায়ুসেনা এটিকে তাদের অন্যতম শক্তিশালী কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করে। মিনিটম্যান–থ্রি মিসাইলের বিশেষত্ব হল, এটি অত্যন্ত শক্তিশালী পরমাণু ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের হিরোশিমায় যে ‘লিটল বয়’ পরমাণু বোমা ফেলা হয়েছিল, তার তুলনায় প্রায় ২০ গুণ বেশি শক্তিশালী পরমাণু বোমা এই মিসাইল বহন করতে পারে।
বিশ্বের অন্যান্য শক্তিধর দেশগুলির কাছেও একই ধরনের মিসাইল রয়েছে। রাশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল হল ‘সারমট’, যাকে রুশ সেনা অনেকে ‘শয়তান’ নামেও ডাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পরীক্ষার জবাবে রাশিয়াও শিগগিরই সারমট মিসাইলের উন্নত সংস্করণ সামনে আনতে পারে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই ধরনের অস্ত্র প্রদর্শনকে শক্তির বার্তা হিসেবেই দেখা হয়।
তবে বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বিশ্বের বড় শক্তিগুলির মধ্যে এই অস্ত্র প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে তা আরও বড় বিপদের ইঙ্গিতও বহন করতে পারে।