কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বেশি আদায়ে কী করতে হবে? মন্ত্রীদের ‘পরামর্শ’ শুভেন্দুর
রাজ্যের কোষাগারের উপর আর্থিক চাপ কমানো এবং কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি করাকে অগ্রাধিকার দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের পথে রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে খবর, সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের মন্ত্রীকে এই বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। সূত্রের খবর, প্রত্যেক দফতরের মন্ত্রীকে তাঁদের সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে বিভিন্ন প্রকল্পের বকেয়া ও নতুন কেন্দ্রীয় বরাদ্দের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরতে বলা হয়েছে। উদ্দেশ্য, রাজ্যের প্রাপ্য অর্থ দ্রুত আদায় করা এবং নতুন প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা। প্রশাসনিক মহলের মতে, বর্তমানে রাজ্যে একাধিক সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনা, মহিলাদের সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত-সহ বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পে রাজ্যের বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। পাশাপাশি পূর্বতন সরকারের আমলের ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপও বহন করতে হচ্ছে বর্তমান প্রশাসনকে। ফলে রাজ্যের আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নবান্ন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই কারণেই বাদল অধিবেশনের সময় দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করার ওপর জোর দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারের আশা, এই উদ্যোগের ফলে বিভিন্ন দফতরের দীর্ঘদিনের আর্থিক দাবি মেটানোর পাশাপাশি নতুন প্রকল্পের জন্যও কেন্দ্রের সহায়তা পাওয়ার পথ আরও সুগম হবে।
রাজ্যের কোষাগারের উপর আর্থিক চাপ কমানো এবং কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি করাকে অগ্রাধিকার দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের পথে রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে খবর, সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের মন্ত্রীকে এই বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি।
সূত্রের খবর, প্রত্যেক দফতরের মন্ত্রীকে তাঁদের সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে বিভিন্ন প্রকল্পের বকেয়া ও নতুন কেন্দ্রীয় বরাদ্দের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরতে বলা হয়েছে। উদ্দেশ্য, রাজ্যের প্রাপ্য অর্থ দ্রুত আদায় করা এবং নতুন প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা। প্রশাসনিক মহলের মতে, বর্তমানে রাজ্যে একাধিক সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনা, মহিলাদের সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত-সহ বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পে রাজ্যের বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। পাশাপাশি পূর্বতন সরকারের আমলের ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপও বহন করতে হচ্ছে বর্তমান প্রশাসনকে। ফলে রাজ্যের আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
নবান্ন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই কারণেই বাদল অধিবেশনের সময় দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করার ওপর জোর দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারের আশা, এই উদ্যোগের ফলে বিভিন্ন দফতরের দীর্ঘদিনের আর্থিক দাবি মেটানোর পাশাপাশি নতুন প্রকল্পের জন্যও কেন্দ্রের সহায়তা পাওয়ার পথ আরও সুগম হবে।
