একমাত্র রোজগেরে আজ মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে, সরকারের দিকে তাকিয়ে পরিবার
বিগত সরকারের 'ভুলে' সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন শান্তিপুরের এক দরিদ্র পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সন্তান। দু’টি কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর সপ্তাহে ২-৩ দিন ডায়ালিসিস করতে হয় ৩৮ বছরের সুখেন কর্মকারকে। কিন্তু অর্থের অভাবে গত দু’সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে তাঁর ডায়ালিসিস। ক্রমশ অবনতি হচ্ছে শারীরিক অবস্থার। পরিবারের আশঙ্কা, দ্রুত চিকিৎসা না হলে বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে। শান্তিপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুখেন কর্মকার পেশায় স্বর্ণশিল্পী। তাঁর আয়েই চলত বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী এবং দুই সন্তানের সংসার। সুখেনের বাবা লোহার দা, বঁটি, শাবল তৈরির কামারশালায় কাজ করতেন। বর্তমানে তাঁর বয়স প্রায় ৬৭ বছর। বার্ধক্যের কারণে তিনিও আর কাজ করতে পারেন না। প্রায় দেড় বছর আগে সুখেনের দু’টি কিডনি বিকল হয়ে যায়। পরিবারের আবেদন, দ্রুত সরকারি উদ্যোগে সুখেনের ডায়ালিসিসের ব্যবস্থা করা হোক। এবং স্বাস্থ্যসাথী কিংবা অন্য কোনও সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা পুনরায় চালু করা হোক। তাঁদের একটাই আশা—সরকারি সহায়তা মিললে হয়তো মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসতে পারেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য।
বিগত সরকারের ‘ভুলে’ সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন শান্তিপুরের এক দরিদ্র পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সন্তান। দু’টি কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর সপ্তাহে ২-৩ দিন ডায়ালিসিস করতে হয় ৩৮ বছরের সুখেন কর্মকারকে। কিন্তু অর্থের অভাবে গত দু’সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে তাঁর ডায়ালিসিস। ক্রমশ অবনতি হচ্ছে শারীরিক অবস্থার। পরিবারের আশঙ্কা, দ্রুত চিকিৎসা না হলে বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে।
শান্তিপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুখেন কর্মকার পেশায় স্বর্ণশিল্পী। তাঁর আয়েই চলত বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী এবং দুই সন্তানের সংসার। সুখেনের বাবা লোহার দা, বঁটি, শাবল তৈরির কামারশালায় কাজ করতেন। বর্তমানে তাঁর বয়স প্রায় ৬৭ বছর। বার্ধক্যের কারণে তিনিও আর কাজ করতে পারেন না।
প্রায় দেড় বছর আগে সুখেনের দু’টি কিডনি বিকল হয়ে যায়। পরিবারের আবেদন, দ্রুত সরকারি উদ্যোগে সুখেনের ডায়ালিসিসের ব্যবস্থা করা হোক। এবং স্বাস্থ্যসাথী কিংবা অন্য কোনও সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা পুনরায় চালু করা হোক। তাঁদের একটাই আশা—সরকারি সহায়তা মিললে হয়তো মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসতে পারেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য।
একমাত্র রোজগেরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে, সরকারের দিকে তাকিয়ে পরিবার
যাদবপুর নিয়ে রাজ্যপালের দ্বারে ABVP, কী দাবি জানাল?
দুধ পান করছেন, আসল কি না জানেন? দেখে নিন ভিডিয়ো
কলকাতা পৌরনিগমের ভোটে বিজেপির প্রার্থী বাছাই নিয়ে বড় বার্তা সুকান্তর
