Donald Trump to Sanae Takaichi: স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যাঘাত! ভরা সভায় জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে কীভাবে অস্বস্তিতে ফেললেন ট্রাম্প?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে কূটনৈতিক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে জাপানের সঙ্গে বৈঠকে। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচির উপস্থিতিতে ট্রাম্প পার্ল হারবার হামলার প্রসঙ্গ তোলেন। ঐতিহাসিকভাবে পার্ল হারবারের ঘটনা জাপানের জন্য সংবেদনশীল। ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পার্ল হারবার নৌঘাঁটিতে আকস্মিক হামলা চালায়। ওই হামলায় ধ্বংস হয় ১৮৮টি মার্কিন যুদ্ধবিমান, ডুবে যায় একাধিক জাহাজ। প্রাণ হারান প্রায় ৩৬০০ মার্কিন সেনা। এই ঘটনার পরই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সরাসরি যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তীতে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা হামলা চালায় আমেরিকা, যার ক্ষত আজও ইতিহাসে অমোচনীয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে কূটনৈতিক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে জাপানের সঙ্গে বৈঠকে। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচির উপস্থিতিতে ট্রাম্প পার্ল হারবার হামলার প্রসঙ্গ তোলেন।
ঐতিহাসিকভাবে পার্ল হারবারের ঘটনা জাপানের জন্য সংবেদনশীল। ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পার্ল হারবার নৌঘাঁটিতে আকস্মিক হামলা চালায়। ওই হামলায় ধ্বংস হয় ১৮৮টি মার্কিন যুদ্ধবিমান, ডুবে যায় একাধিক জাহাজ। প্রাণ হারান প্রায় ৩৬০০ মার্কিন সেনা। এই ঘটনার পরই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সরাসরি যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তীতে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা হামলা চালায় আমেরিকা, যার ক্ষত আজও ইতিহাসে অমোচনীয়।
দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এই প্রসঙ্গ এড়িয়েই চলেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। সাধারণত জাপানের সামনে পার্ল হারবার নিয়ে আলোচনা তোলা হয় না বলেই কূটনৈতিক মহলের অভিমত।
কিন্তু মঙ্গলবারের বৈঠকে সেই রীতি ভেঙে দেন ট্রাম্প। সূত্রের খবর, ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জাপানের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি একাধিকবার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রকাশ্য সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন। তবে তাকাইচি কৌশলে সেই প্রশ্ন এড়িয়ে যান এবং সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।
এরপরই ট্রাম্পের বক্তব্যে উঠে আসে পার্ল হারবারের প্রসঙ্গ, যা উপস্থিত মহলে অস্বস্তির সৃষ্টি করে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কে তাৎক্ষণিক প্রভাব না ফেললেও, সংবেদনশীল ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ টেনে আনা ভবিষ্যতে আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারে।