শৈশবের স্কুলে অতিথি হয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আবেগে ভেসে গেলেন তাঁরা
কেউ বয়সের ভারে ঠিকমতো দাঁড়াতেই পারেন না। কেউ আবার অসুস্থতায় ন্যুব্জ। কিন্তু স্বাধীনতা দিবসে সেই প্রবীণ দুই মানুষই ফিরে গেলেন তাঁদের শৈশবের স্কুলে। আর তাঁদের হাতেই উঠল জাতীয় পতাকা। পূর্ব বর্ধমানে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে একসময় পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলেন শিবনারায়ণ সেন এবং দেবীপ্রসাদ সাহা। এখন শিবনারায়ণ সেনের বয়স ৮৭ বছর, আর দেবীপ্রসাদ সাহার ৮৪। শনিবার স্বাধীনতা দিবসে তাঁদের হাতেই স্কুল প্রাঙ্গণে উত্তোলন করা হল জাতীয় পতাকা। একসময় যে স্কুলে ছাত্র হিসেবে পা রেখেছিলেন, স্বাধীনতার এত বছর পর সেই স্কুলেই অতিথি হয়ে ফিরে এসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন—আবেগে ভেসে গেলেন তাঁরা। ব্রিটিশ আমলের সেই দিনগুলির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে উঠে আসে স্বাধীনতা পাওয়ার আনন্দের কথা। পাশাপাশি উঠে আসে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের স্মৃতিও। তাঁদের মুখে শোনা সেই সময়ের কথা যেন নতুন প্রজন্মের সামনে জীবন্ত হয়ে ওঠে ইতিহাসের এক টুকরো। শৈশবের স্কুল, স্বাধীনতার স্মৃতি আর জাতীয় পতাকা—এই তিনের মেলবন্ধনে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস হয়ে উঠল এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী।
কেউ বয়সের ভারে ঠিকমতো দাঁড়াতেই পারেন না। কেউ আবার অসুস্থতায় ন্যুব্জ। কিন্তু স্বাধীনতা দিবসে সেই প্রবীণ দুই মানুষই ফিরে গেলেন তাঁদের শৈশবের স্কুলে। আর তাঁদের হাতেই উঠল জাতীয় পতাকা।
পূর্ব বর্ধমানে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে একসময় পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলেন শিবনারায়ণ সেন এবং দেবীপ্রসাদ সাহা। এখন শিবনারায়ণ সেনের বয়স ৮৭ বছর, আর দেবীপ্রসাদ সাহার ৮৪। শনিবার স্বাধীনতা দিবসে তাঁদের হাতেই স্কুল প্রাঙ্গণে উত্তোলন করা হল জাতীয় পতাকা। একসময় যে স্কুলে ছাত্র হিসেবে পা রেখেছিলেন, স্বাধীনতার এত বছর পর সেই স্কুলেই অতিথি হয়ে ফিরে এসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন—আবেগে ভেসে গেলেন তাঁরা।
ব্রিটিশ আমলের সেই দিনগুলির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে উঠে আসে স্বাধীনতা পাওয়ার আনন্দের কথা। পাশাপাশি উঠে আসে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের স্মৃতিও। তাঁদের মুখে শোনা সেই সময়ের কথা যেন নতুন প্রজন্মের সামনে জীবন্ত হয়ে ওঠে ইতিহাসের এক টুকরো। শৈশবের স্কুল, স্বাধীনতার স্মৃতি আর জাতীয় পতাকা—এই তিনের মেলবন্ধনে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস হয়ে উঠল এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী।
