মাটির নিচের সম্পদই আজ গিলে খেতে চাইছে রানিগঞ্জকে?

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Apr 11, 2026 | 5:37 AM

ভারতের শিল্প ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায় পশ্চিম বর্ধমানের রানিগঞ্জ। ১৭৭৪ সালে শুরু হওয়া এই জনপদ পরিচিতি পায় এদেশের প্রথম কয়লা শহর হিসেবে। ১৮৩৫ সালে প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর এখানে গড়ে তুলেছিলেন তাঁর স্বপ্নের 'কয়লা কুঠি'। ১৮৫৫ সালে হাওড়া থেকে রানিগঞ্জ পর্যন্ত দেশের অন্যতম প্রথম রেলপথ বিস্তৃত হয় এই কালো হিরের টানেই। একসময় যা ছিল ব্রিটিশ ভারতের প্রথম মহকুমা, আজ সেই শহরের কপালে চিন্তার ভাঁজ। ​মাটির নিচে যে সম্পদ একদিন রানিগঞ্জকে সমৃদ্ধি দিয়েছিল, আজ সেই মাটিই গিলে খেতে চাইছে আস্ত শহরটাকে। অভিযোগ, অপরিকল্পিত খনন আর পুরনো খনি গর্ভের শূন্যতা রানিগঞ্জকে আজ 'ধসপ্রবণ' তকমা দিয়েছে। এখানকার বাসিন্দারা বাস করেন এক অজানা আতঙ্কে। পায়ের নিচের মাটি কখন সরে যাবে, সেই দুশ্চিন্তায় কাটে রাত।

ভারতের শিল্প ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায় পশ্চিম বর্ধমানের রানিগঞ্জ। ১৭৭৪ সালে শুরু হওয়া এই জনপদ পরিচিতি পায় এদেশের প্রথম কয়লা শহর হিসেবে। ১৮৩৫ সালে প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর এখানে গড়ে তুলেছিলেন তাঁর স্বপ্নের ‘কয়লা কুঠি’। ১৮৫৫ সালে হাওড়া থেকে রানিগঞ্জ পর্যন্ত দেশের অন্যতম প্রথম রেলপথ বিস্তৃত হয় এই কালো হিরের টানেই। একসময় যা ছিল ব্রিটিশ ভারতের প্রথম মহকুমা, আজ সেই শহরের কপালে চিন্তার ভাঁজ। ​মাটির নিচে যে সম্পদ একদিন রানিগঞ্জকে সমৃদ্ধি দিয়েছিল, আজ সেই মাটিই গিলে খেতে চাইছে আস্ত শহরটাকে। অভিযোগ, অপরিকল্পিত খনন আর পুরনো খনি গর্ভের শূন্যতা রানিগঞ্জকে আজ ‘ধসপ্রবণ’ তকমা দিয়েছে। এখানকার বাসিন্দারা বাস করেন এক অজানা আতঙ্কে। পায়ের নিচের মাটি কখন সরে যাবে, সেই দুশ্চিন্তায় কাটে রাত।

Follow Us