AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

West Bengal Assembly Election 2026

West Bengal Assembly Election 2026

নজরে ২৯৪টি আসন। বঙ্গে ভোটযুদ্ধ। একুশের পর এবার ছাব্বিশ। বিজেপির জন্য অগ্নিপরীক্ষা। ‘ব্যাকফায়ার’ করবে না তো SIR? সংশয় পদ্ম শিবিরের মনে। চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন রাজ্যের শাসকশিবিরও। আরজি কর, সন্দেশখালি, ওয়াকফ হিংসা — সব পেরিয়ে আরও একটা ভোট পরীক্ষা। কতটা মাইলেজ পাবে তৃণমূল? শূন্যের গেরো কাটাতে পারবে বামেরা? কংগ্রেস ফিরবে ফর্মে? ভোটের খবর দেখুন ভোটের পাতায়।

Read More

Supplementary list: চতুর্থ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ কমিশনের, এখনও পর্যন্ত কত নাম বাদ গেল?

SIR in Bengal: গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু হয়েছিল। এরপর গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। সেইসময় ৫৮ লক্ষের নাম বাদ যায়। এর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেখানে আরও সাড়ে ৫ লক্ষের মতো নাম বাদ যায়।

TMC: শান্তনুকে আবার কাছে ‘টেনে নিল’ তৃণমূল, ঘোষণা করলেন সেই জয়প্রকাশই

Santanu Sen's suspension revoke: তৃণমূল তাঁকে সাসপেন্ড করার পর শান্তনু সেন বলেছিলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমায় দু’দুবার কাউন্সিলর করেছেন। রাজ্যসভার সাংসদ করেছেন, দলের মুখপাত্র করেছেন। আমার স্ত্রী এখন কাউন্সিলর। আমি এতটাও বেইমান নই যে সেই দলের সঙ্গে আমি বিশ্বাসঘাতকতা করব। আমি তৃণমূলের অনুগত সৈনিক ছিলাম, আছি, থাকব।”

এবার থেকে রোজ সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট, মোট কত নাম বাদ পড়ল?

Supplementary List: ভোট এসে গিয়েছে। তার আগে এসআইআরের সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে।  তিনটি অতিরিক্ত তালিকায় ২৪ লক্ষ ১০ হাজারের নাম প্রকাশ। প্রথম দুটি সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে ২২ লক্ষ এবং তৃতীয় লিস্টে ২ লক্ষ ১০ হাজারের নাম প্রকাশিত হয়েছে।

Nandigram: নন্দীগ্রামে কি কিং মেকার ISF? অঙ্ক কষছেন সবাই

West Bengal assembly election 2026: নন্দীগ্রাম বিধানসভায় দুটি ব্লক। নন্দীগ্রাম ১ ও নন্দীগ্রাম ২। নন্দীগ্রাম ১ ব্লক সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা। আর নন্দীগ্রাম দুই ব্লক হিন্দু প্রভাবিত এলাকা। রয়েছে ১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত। দুটি পঞ্চায়েত সমিতি ও পাঁচটি জেলা পরিষদ আসন।

TMC: ভোটের আগেই বড় ভাঙন, দল ছাড়লেন তৃণমূল বিধায়ক

West Bengal Assembly Election 2026: তৃণমূল ছাড়লেন বাদুড়িয়ার বিধায়ক কাজী আব্দুর রহিম। এবার তাঁকে আর দাঁড় করায়নি দল। এর আগেও টিভি ৯ বাংলায় টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। এবার তৃণমূল ছাড়ার ঘোষণা করলেন একেবারে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে।

ভোটের ডিউটিতে AI, ৬৬০ টিভিতে নজর থাকবে কমিশনের

WB Assembly Election 2026: ভোটের প্রতিটা ধাপে থাকবে কমিশনের সতর্ক চোখ। প্রতিটি বুথে নজরদারির জন্য মাঠে নামছে AI. ওয়েবকাস্টিংয়ের জন্য প্রতিটা ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে কমিশনের চোখ হয়ে ঘুরবে AI চালিত ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরবে ক্যামেরা। একসঙ্গে অনেকে বুথে ঢুকলেই ধরা পড়বে ক্যামেরায়।

BJP Campaign: ভোট বড় বালাই! প্রচারে বেরিয়ে দু’বালতি জল টেনে দিলেন বিজেপি প্রার্থী

Bengal BJP: এই ঘটনাকে সামনে রেখে তিনি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। তাঁর দাবি, কেন্দ্র সরকারের হর ঘর জল প্রকল্পের মাধ্যমে প্রত্যেক বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু রাজ্যে সেই কাজ সঠিকভাবে করতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি তিনি আরও অভিযোগ করেন, এলাকায় পর্যাপ্ত আলো নেই, অন্যান্য পরিষেবাও নেই।

TMC: করে খাওয়ার জন্যই কি ভোটে জিততে মরিয়া তৃণমূল? তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য ঘিরে চরম জলঘোলা

TMC: বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বেলকাশ অঞ্চলে কর্মী বৈঠকে বক্তব্য রাখছিলেন। সভামঞ্চে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নিশীথ কুমার মালিককে পাশে বসে। তখনই গার্গী নাহাকে বলতে শোনা যায়, “এই নির্বাচন বৈতরণী যদি আমরা পার করতে পারি, আগামী পাঁচটা বছর কিন্তু আমরা সকলে ভালো থাকবো, আমরা সকলে করে খেতে পারবো।” এই মন্তব্যের ভিডিয়ো সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে ওঠেছে।

CPIM News: কৌটো নাচানো থেকে কিউআর কোড, জানেন ভোটের সময় কত টাকা তুলছে সিপিএম?

Kolkata: বাম সংস্কৃতির অন্যতম অংশ হল বাড়ি বাড়ি ঘুরে চাঁদা তোলা। সিপিএম দাবি করে, তারা বড় বড় শিল্পপতি বা কর্পোরেট সংস্থার কাছ থেকে অনুদান নেওয়ার বদলে সাধারণ মানুষের ছোট ছোট দানে দল চালায়। তাদের মতে, এতে দলের ওপর সাধারণ মানুষের নিয়ন্ত্রণ এবং অধিকার বজায় থাকে। 

Sukanta Majumder: ‘শশী পাঁজা তো সাউথ ইন্ডিয়ান, ওনার ব্যাপারটা মানা যায়’, কেন বললেন সুকান্ত?

Sukanta Majumder On Shashi Panja: বর্তমান মন্ত্রী তথা শ্যামপুকুর কেন্দ্রের প্রার্থী শশী পাঁজার নাম লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ইস্যুতে অর্থাৎ ঠিকানার অসঙ্গতির কারণে 'বিবেচনাধীন' বা হোল্ডে রাখা হয়েছে। কিন্তু শনিবারই এই ইস্যুটি তুলে ধরে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি-র ইশারায় নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীদের এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার বা জটিলতায় ফেলার চেষ্টা করছে।