খানাকুলে দ্বিতীয় হুগলি সেতু? খোঁজ করতেই যা জানা গেল…

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Aug 11, 2026 | 9:40 PM

দূর থেকে দেখে মনে হবে দ্বিতীয় হুগলি সেতু নাকি। হুগলির খানাকুলে আবার সেতু কবে হল? গত বছরই এই এলাকায় ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি নৌকাডুবি হয়েছিল এই দ্বারকেশ্বর নদে। ভেসে গিয়েছিল ছাত্র-ছাত্রীরা। স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠায়। বছর দুয়েক আগে সাপে কাটা এক রোগীকে খাটিয়ায় করে নিয়ে যাওয়ার পথে চিকিৎসার অভাবে মারা যায়। খানাকুলের প্রত্যন্ত এলাকা ঠাকুরানিচক খানাকুল ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত হলেও দারকেশ্বর নদী একটি পঞ্চায়েতকে দুইটি ভাগে ভাগ করে দিয়েছে। আবার পশ্চিম দিকের পশ্চিম ঠাকুরানিচক পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সীমান্তবর্তী। সারাবছর দ্বারকেশ্বর নদীর উপর বাঁশের সেতু দিয়েই যাতায়াত। বর্ষায় বাঁশের সেতু ভেঙে যায়। প্রায় তিন-চার মাস যোগাযোগের প্রধান নৌকা। আবার নদীতে জলের স্রোত থাকায় নৌকাও বন্ধ হয়ে যায়। গ্রামের ছেলে মেয়েরা স্কুলে যেতে পারে না। পূর্ব ঠাকুরানিচকে স্কুল হওয়ায় নদী পেরিয়ে আসতে হয়। দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি স্থায়ী সেতুর। গ্রামের ছেলেরা কেউ দিল্লি, মুম্বই, গুজরাট, চেন্নাই, কটক অথবা কলকাতায় স্বর্ণশিল্পী আবার কেউ কেউ পাথরের শিল্পী। গ্রামবাসীর দুর্দশার কথা সকলেই জানেন। সকলেই বিধানসভা ভোটের আগে বাড়ি ফিরেছিলেন ভোট দেওয়ার জন্য। আর তাঁরাই একত্রিত হয়ে গ্রামবাসীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা মেটালেন। এই সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকরাই যখন গ্রামের ছেলে, তখন গ্রামের তো উন্নয়ন করতে হবে। সকলেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত নেন, দ্বারকেশ্বর নদীর উপর রড আয়রনের সেতু নির্মাণের। সেই মতো সেতু নির্মাণ করেন কয়েক মাসেই। প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা দেন চাঁদা তুলে। তবে সেতুটিও দেখতে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর আদলে। বর্ষায় যাতে না সেতু ভেঙে যায় তাই অনেকটা উচ্চতা এবং পিলারের সংখ্যা কমিয়ে উপর থেকে তারের টান দেওয়া হয়েছে। যাতে কচুরিপানার ঠেল না থাকে নৌকা চলাচলের জন্য আকৃতি বাড়ানো হয়েছে। রড আয়রনের সেতুর ওপর কাঠের পাটাতন দেওয়া হয়েছে। নতুন সেতুতে মালবাহী ট্রাক্টর থেকে ছোট গাড়ি থেকে অ্যাম্বুলেন্স সবই ঢুকছে এবার গ্রামে। ছাত্রছাত্রীরা সাইকেলে চেপে সেতু পেরিয়ে স্কুল যাচ্ছে। গ্রামের মানুষজন স্বভাবতই খুশি। 

দূর থেকে দেখে মনে হবে দ্বিতীয় হুগলি সেতু নাকি। হুগলির খানাকুলে আবার সেতু কবে হল? গত বছরই এই এলাকায় ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি নৌকাডুবি হয়েছিল এই দ্বারকেশ্বর নদে। ভেসে গিয়েছিল ছাত্র-ছাত্রীরা। স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠায়। বছর দুয়েক আগে সাপে কাটা এক রোগীকে খাটিয়ায় করে নিয়ে যাওয়ার পথে চিকিৎসার অভাবে মারা যায়। খানাকুলের প্রত্যন্ত এলাকা ঠাকুরানিচক খানাকুল ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত হলেও দারকেশ্বর নদী একটি পঞ্চায়েতকে দুইটি ভাগে ভাগ করে দিয়েছে। আবার পশ্চিম দিকের পশ্চিম ঠাকুরানিচক পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সীমান্তবর্তী। সারাবছর দ্বারকেশ্বর নদীর উপর বাঁশের সেতু দিয়েই যাতায়াত। বর্ষায় বাঁশের সেতু ভেঙে যায়। প্রায় তিন-চার মাস যোগাযোগের প্রধান নৌকা। আবার নদীতে জলের স্রোত থাকায় নৌকাও বন্ধ হয়ে যায়। গ্রামের ছেলে মেয়েরা স্কুলে যেতে পারে না। পূর্ব ঠাকুরানিচকে স্কুল হওয়ায় নদী পেরিয়ে আসতে হয়। দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি স্থায়ী সেতুর।

গ্রামের ছেলেরা কেউ দিল্লি, মুম্বই, গুজরাট, চেন্নাই, কটক অথবা কলকাতায় স্বর্ণশিল্পী আবার কেউ কেউ পাথরের শিল্পী। গ্রামবাসীর দুর্দশার কথা সকলেই জানেন। সকলেই বিধানসভা ভোটের আগে বাড়ি ফিরেছিলেন ভোট দেওয়ার জন্য। আর তাঁরাই একত্রিত হয়ে গ্রামবাসীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা মেটালেন। এই সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকরাই যখন গ্রামের ছেলে, তখন গ্রামের তো উন্নয়ন করতে হবে। সকলেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত নেন, দ্বারকেশ্বর নদীর উপর রড আয়রনের সেতু নির্মাণের। সেই মতো সেতু নির্মাণ করেন কয়েক মাসেই। প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা দেন চাঁদা তুলে। তবে সেতুটিও দেখতে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর আদলে। বর্ষায় যাতে না সেতু ভেঙে যায় তাই অনেকটা উচ্চতা এবং পিলারের সংখ্যা কমিয়ে উপর থেকে তারের টান দেওয়া হয়েছে। যাতে কচুরিপানার ঠেল না থাকে নৌকা চলাচলের জন্য আকৃতি বাড়ানো হয়েছে। রড আয়রনের সেতুর ওপর কাঠের পাটাতন দেওয়া হয়েছে। নতুন সেতুতে মালবাহী ট্রাক্টর থেকে ছোট গাড়ি থেকে অ্যাম্বুলেন্স সবই ঢুকছে এবার গ্রামে। ছাত্রছাত্রীরা সাইকেলে চেপে সেতু পেরিয়ে স্কুল যাচ্ছে। গ্রামের মানুষজন স্বভাবতই খুশি।

Follow Us
Loading...
Unable to load recommendations.