কেন অভিষেক সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন? গভীর ‘ষড়যন্ত্র’ দেখছেন ঋতব্রত

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Aug 04, 2026 | 1:06 AM

চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শীর্ষ আদালত অভিষেকের আবেদন নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে কলকাতা হাইকোর্টকে। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়ে কালীঘাট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে নিশানা করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।  ঋতব্রত বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশকে স্বাগত জানাই। কারণ উনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আর ডিপ্লোম্য়াটিক পাসপোর্ট হোল্ডার কোনওভাবে বেরোতে পারলে এবং পৃথিবীর বহু দেশ রয়েছে, যে দেশের সঙ্গে ভারতের প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই। সেফ হেভেন হয়ে যাবে। উনি তো পালিয়ে যেতে চাইছেন। এটা তো লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার। সেজন্য সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, হাইকোর্টে আসতে। আর হাইকোর্ট তো রায় দিয়েই রেখেছে। এটা ঠিক, সেবাশ্রয়ের ডাক্তাররা এসএসকেএম-এ বসেন না। মানে সেবাশ্রয়ে যাঁদের দিয়ে চিকিৎসা করিয়েছেন, তাঁরা এসএসকেএম-র বোর্ডে থাকবেন না। এটা একটা কারণ হতে পারে। আর ওঁর চোখের চিকিৎসা তো সেবাশ্রয়ে করিয়ে নেওয়া উচিত। উনি তো জনগণের নেতা। জনপ্রতিনিধি জনগণকে পথে বসিয়ে তারপর উনি বিদেশে যাবেন। আর উনি যে চিকিৎসা করিয়েছেন, সেখানে ব্যক্তিগত না পার্টির টাকা খরচ হয়েছে, সেগুলো তো আমরা জানি না। সেগুলো নিশ্চিতভাবে সামনে আসবে।”

চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শীর্ষ আদালত অভিষেকের আবেদন নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে কলকাতা হাইকোর্টকে। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়ে কালীঘাট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে নিশানা করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

ঋতব্রত বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশকে স্বাগত জানাই। কারণ উনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আর ডিপ্লোম্য়াটিক পাসপোর্ট হোল্ডার কোনওভাবে বেরোতে পারলে এবং পৃথিবীর বহু দেশ রয়েছে, যে দেশের সঙ্গে ভারতের প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই। সেফ হেভেন হয়ে যাবে। উনি তো পালিয়ে যেতে চাইছেন। এটা তো লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার। সেজন্য সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, হাইকোর্টে আসতে। আর হাইকোর্ট তো রায় দিয়েই রেখেছে। এটা ঠিক, সেবাশ্রয়ের ডাক্তাররা এসএসকেএম-এ বসেন না। মানে সেবাশ্রয়ে যাঁদের দিয়ে চিকিৎসা করিয়েছেন, তাঁরা এসএসকেএম-র বোর্ডে থাকবেন না। এটা একটা কারণ হতে পারে। আর ওঁর চোখের চিকিৎসা তো সেবাশ্রয়ে করিয়ে নেওয়া উচিত। উনি তো জনগণের নেতা। জনপ্রতিনিধি জনগণকে পথে বসিয়ে তারপর উনি বিদেশে যাবেন। আর উনি যে চিকিৎসা করিয়েছেন, সেখানে ব্যক্তিগত না পার্টির টাকা খরচ হয়েছে, সেগুলো তো আমরা জানি না। সেগুলো নিশ্চিতভাবে সামনে আসবে।”

Follow Us
Loading...
Unable to load recommendations.