Trump Mobile Phone: কী এই বিতর্কিত ‘ট্রাম্প ফোন’? দাম কত?

| Edited By: Purvi Ghosh

May 25, 2026 | 9:50 PM

আমেরিকায় টি-ওয়ান মোবাইল ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। গত বছর মার্চে ট্রাম্প পরিবারের তরফে এই স্মার্টফোন বাজারে আনার ঘোষণা করা হয়েছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই ছেলে Donald Trump Jr. এবং Eric Trump জানিয়েছিলেন, তাঁদের সংস্থাই আমেরিকার বাজারে আনবে টি-ওয়ান ফোন। গত জুলাই থেকে শুরু হয় ফোনের অগ্রিম বুকিং। বুকিংয়ের জন্য নেওয়া হয় ১০০ ডলার। ফোন হাতে পাওয়ার সময় আরও ৩৯৯ ডলার দেওয়ার কথা ছিল। অর্থাৎ মোট দাম ৫০০ ডলার। যেখানে নতুন আই-ফোনের দাম শুরু প্রায় ৮০০ ডলার থেকে, সেখানে তুলনায় কম দামে ‘সম্পূর্ণ মার্কিন’ ফোন বাজারে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ট্রাম্প পরিবার।

আমেরিকায় টি-ওয়ান মোবাইল ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। গত বছর মার্চে ট্রাম্প পরিবারের তরফে এই স্মার্টফোন বাজারে আনার ঘোষণা করা হয়েছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই ছেলে Donald Trump Jr. এবং Eric Trump জানিয়েছিলেন, তাঁদের সংস্থাই আমেরিকার বাজারে আনবে টি-ওয়ান ফোন। গত জুলাই থেকে শুরু হয় ফোনের অগ্রিম বুকিং। বুকিংয়ের জন্য নেওয়া হয় ১০০ ডলার। ফোন হাতে পাওয়ার সময় আরও ৩৯৯ ডলার দেওয়ার কথা ছিল। অর্থাৎ মোট দাম ৫০০ ডলার। যেখানে নতুন আই-ফোনের দাম শুরু প্রায় ৮০০ ডলার থেকে, সেখানে তুলনায় কম দামে ‘সম্পূর্ণ মার্কিন’ ফোন বাজারে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ট্রাম্প পরিবার।

এরিক ও জুনিয়র ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ফোনের প্লাস্টিক কভার পর্যন্ত আমেরিকাতেই তৈরি হবে। কোনও যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আনা হবে না। সেপ্টেম্বরে ফোন বাজারে আসার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু ঘোষণার প্রায় ৯ মাস পরও অধিকাংশ গ্রাহক ফোন হাতে পাননি। প্রায় ৫ লক্ষ মার্কিন নাগরিক অগ্রিম বুকিং করে অপেক্ষা করছেন। আরও প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ অনলাইনে বুকিং করেছেন বলে দাবি। এদিকে ট্রাম্প পরিবারের সংস্থা জানায়, ফোন তৈরিতে কিছুটা দেরি হয়েছে। তবে চলতি মাসেই গ্রাহকদের হাতে ফোন পৌঁছে যাবে। পরে সেই বক্তব্যে বদল আনা হয়। নতুন করে দাবি করা হয়, এই মাসে মাত্র ১ লক্ষ গ্রাহক ফোন পাবেন। বাকিদের ধাপে ধাপে ফোন দেওয়া হবে।

এর মধ্যেই সামনে আসে বড় অভিযোগ। আমেরিকার টেলিকম সংস্থাগুলির শীর্ষ সংগঠন দাবি করেছে, টি-ওয়ান ফোনের প্রায় ৮০ শতাংশ যন্ত্রাংশ আমেরিকায় তৈরি নয়। তাদের বক্তব্য, ফোনের কিছু অংশ চিনে এবং কিছু অংশ তাইওয়ানে তৈরি হয়েছে। হ্যান্ডসেটের প্রযুক্তিগত পরীক্ষা করেই এই দাবি করেছে সংগঠনটি। এরপরই শুরু হয় আইনি লড়াই। গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে ট্রাম্প পরিবার ও সংশ্লিষ্ট মোবাইল সংস্থার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের হচ্ছে।

অনেক গ্রাহক বুকিংয়ের অগ্রিম টাকা ফেরতের দাবিও তুলেছেন। তবে বুকিংয়ের সময় সংস্থার তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল, কোনও অবস্থাতেই অগ্রিম অর্থ ফেরত দেওয়া হবে না। আমেরিকার একটি ইংরেজি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইতিমধ্যেই কয়েক লক্ষ ডলারের ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা দায়ের হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মামলার সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা। অভিযোগ, প্রচারে দেখানো ফোনের সঙ্গে বাস্তব পণ্যের মিল নেই। ফলে মার্কিন আইনে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিপূরণও দিতে হতে পারে ট্রাম্প পরিবারের সংস্থাকে।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, এটি শুধুই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ঘটনা নয়, বরং সরাসরি প্রতারণার অভিযোগ। কারণ ট্রাম্প পরিবারের সদস্যরাই সরাসরি ফোনটির প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন এবং নিজেদের ব্র্যান্ড হিসেবে বাজারে তুলে ধরেছিলেন টি-ওয়ানকে।

Follow Us
Loading...
Unable to load recommendations.