ABHA ID delays: আইডি তৈরিতে হচ্ছে দেরি, লাইনে দাঁড়িয়ে কালঘাম ছুটছে রোগী-পরিজনদের

Bankura Sammilani Medical College: রাজ্যে সরকারে পালাবদলের পর এ রাজ্যে সমস্ত হাসপাতালে চিকিৎসার জন্ত রোগীদের আধারকার্ডের ভিত্তিতে আভা আইডি তৈরি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের আউটডোরে যারা চিকিৎসা করাতে আসছেন তাঁরা টিকিট কাটার সময়ই তাঁদের আধার কার্ড দেখে আভা আই ডি তৈরি করে দিচ্ছেন হাসপাতালের কর্মীরা।

ABHA ID delays: আইডি তৈরিতে হচ্ছে দেরি, লাইনে দাঁড়িয়ে কালঘাম ছুটছে রোগী-পরিজনদের
রোগীদের লাইনImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Aug 26, 2026 | 12:15 PM

 বাঁকুড়া: একদিকে প্রতিটি রোগীর জন্য আধার কার্ডের ভিত্তিতে আভা আইডি তৈরির কারণে বিলম্ব আর অন্যদিকে কর্মী সংখ্যা কম থাকায় নতুন কাউন্টার চালু করার ক্ষেত্রে সমস্যা এই দুয়ের জেরে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা করাতে গিয়ে চূড়ান্ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা। আউটডোর খোলার বহু আগে থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে শুধুমাত্র টিকিট কাটতেই বেলা গড়িয়ে যাচ্ছে অনেকের। আউটডোরে টিকিট কাটতেই রোগীদের কমপক্ষে সময় লাগছে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা।

রাজ্যে সরকারে পালাবদলের পর এ রাজ্যে সমস্ত হাসপাতালে চিকিৎসার জন্ত রোগীদের আধারকার্ডের ভিত্তিতে আভা আইডি তৈরি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের আউটডোরে যারা চিকিৎসা করাতে আসছেন তাঁরা টিকিট কাটার সময়ই তাঁদের আধার কার্ড দেখে আভা আই ডি তৈরি করে দিচ্ছেন হাসপাতালের কর্মীরা। ফলে একেকটি টিকিট কাটতে আগের তুলনায় অনেক বেশি সময় লাগছে। এদিকে কর্মী সংখ্যা কম থাকায় নতুন কাউন্টার খোলা তো দুরস্ত, হাসপাতালের আউটডোরে থাকা সবকটি টিকিট কাউন্টার চালুই করা যায়নি।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, হাসপাতালে যেখানে গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি ও জিডি মিলিয়ে যেখানে ৫০০জন কর্মী থাকার কথা সেখানে এখন কর্মীর সংখ্যা ১০০-র আশপাশে। এই পরিস্থিতিতে টিকিট কাউন্টারে ভিড় সামাল দেওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ছে। ফলে আউটডোরে চিকিৎসা করাতে আসা রোগীদের টিকিট করতেই রীতিমতো ঘাম ছুটছে।

প্রতিদিন আউটডোরে টিকিটের জন্য রোগীদের লম্বা লাইন হাসপাতাল ভবন ছাড়িয়ে গিয়ে পড়ছে পার্শ্ববর্তী রাস্তায়। ঝড়ে, বৃষ্টিতে খোলা আকাশের নিচে প্রায় ২ থেকে ৩ ঘন্টা লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে প্রতিটি রোগী ও রোগীর পরিজনদের।

এক রোগী বলেন, “আমাদের টিকিট করাতেই এত সময় লেগে যাচ্ছে, যে ডাক্তার দেখানো আর হচ্ছে না। ডাক্তারবাবু যদি পরে আবার কিছু রিপোর্ট করিয়ে আনতে বলেন, তাহলে সেগুলো করাতে গিয়ে ডাক্তারবাবুর সময় হয়ে যাচ্ছে, চলে যাচ্ছেন।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us