
বাঁকুড়া: অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা অনেক আসল প্রাপকেরা পাচ্ছেন না। এর জন্য ডেটা এন্ট্রি অপারেটারদের দুষলেন শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি। বাঁকুড়ার মেজিয়া ব্লকের বিডিও অফিসে হানা দিয়ে এনিয়ে সতর্ক করলেন ডেটা এন্ট্রি কর্মীদেরও। মেজিয়া বিডিও অফিসে চন্দনার এই সতর্ক করার ছবি সামাজিক মাধ্যমে আসতেই তা রীতিমতো ভাইরাল।
অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন করার পরেও বহু যোগ্য আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছয়নি। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাগাতার এই অভিযোগ পাওয়ার পর বাঁকুড়ার মেজিয়া ব্লকের বিডিও অফিসে হানা দেন শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি। কেন বেছে বেছে তৃণমূলের পরিবারগুলিকে এই যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে তা জানতে চান বিডিও অফিসের কর্মীদের কাছ থেকে। রাজ্য সরকারের বদনাম করার চেষ্টা না করে অন্নপূর্ণা যোজনার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন ডেটা এন্ট্রি অপারেটারদের।
শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনার সেই ভিডিয়ো সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত। বিধায়ক চন্দনা দাবি করেন, “মেজিয়া ব্লকে গিয়ে দেখেছি, অন্নপূর্ণা যোজনার ডেটা এন্ট্রি অপারেটার হিসাবে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা সকলেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত। তৃণমূলের নেতাদের পরিবারের সদস্যরাই এই কাজ করছেন। বেছে বেছে তাঁরা তৃণমূলের পরিবারের আবেদনকারীদের এই প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন। অন্যদিকে বঞ্চিত হচ্ছেন বিজেপি কর্মী সহ সাধারণ পরিবারের আবেদনকারীরা।” তবে আবেদনকারীদের ধৈর্য্য ধরতে বলছেন বিধায়ক। আবারও ভেরিফিকেশন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ব্যাপারে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন শালতোড়ার বিধায়ক।
উল্লেখ্য, ক্যাফে কিংবা পৌরসভায় দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে সঠিকভাবে ফর্ম পূরণের পরও অন্নপূর্ণার টাকা ঢোকেনি অনেক ‘যোগ্য’ প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে। তা নিয়ে রাজ্যের একাধিক জায়গায় মহিলাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। পৌরসভায় চলছে বিক্ষোভ। তার মধ্যে বিধায়কের এই অভিযোগে আরও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।